শেরপুরের নকলা উপজেলার টালকি ইউনিয়নের চাঁনবাড়ি মহল্লায় কৃষক সাইদুল বাড়ির আঙ্গীনায় বিনাচাষে লাভজনক বস্তায় আদা চাষ, পেঁপে ও মরিচ চাষ করেন। এই ৩টি ফসলই ভালো হয়েছে। তার বাম্পার ফলন আসবে বলে আশা করছেন।
লাভজনক বস্তায় আদা চাষ রেকর্ড ছাড়িয়েছে। কৃষক ছাইদুল ইসলাম ৫ হাজার বস্তায় আদা চাষ করেছেন।নকলা কৃষি অধিদপ্তর তাকে বিনামূলে ৮০ কেজি আদার বীজ, বস্তা বাবদ ৮ হাজার নগদ টাকা, প্রয়োজনীয় সার , ১৫শত টাকার পেঁপের চারা , ৩৫শত টাকার বালাইনাশক দিয়েছেন বিনামূল্যে কৃষি বিভাগ । বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিরতা বৃদ্ধি করণ প্রকল্পের মসলা জাতীয় ফসলের প্রযুক্তি ও সম্প্রাসারণ প্রদর্শনীর মাধ্যমে ৩০ শতক জমিতে তিনি করেছেন বস্তায় আদা, পেঁপে ও মরিচ চাষ একই জমিতে। একসময় সাপে তার হাতে ছোবল দেয় সেদিন থেকেই প্রায় ৪০ বছর সাইদুল একহাত পঙ্গু , সেই পঙ্গু সাইদুলই আজ গ্রামের অনেকচাষীর মডেল। আশেপাশের কৃষকরা আগ্রহ প্রকাশ করলেন ফলন ভালো হলে আগামীতে দিগুন পরিমাণ জমিতে তারা করবেন বস্তায় আদা চাষ । কৃষাণী সহিদা বেগম জানান, ১০ হাজার বস্তায় আদা চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার । এবার ৫ হাজার বস্তায় আদা চাষ করে তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা । উৎপাদিত আদা বিক্রি করে ৫ লাখ টাকার আদা পাবেন বলে ধারণা তার । এ আদার প্রদর্শনী দেখে আশেপাশের কৃষকরাও অতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আদা চাষের । সাইদুলের বাগানের এক এক টি পেঁপে ৪ কেজি করে ওজন হবে বিক্রি করলে পাবেন প্রতি পেঁপে ৩শত টাকা এবং ১০ মন মরিচ । ইতিপূবেই বিক্রি করেছেন । এই
প্রযুক্তি দেখে একই জমিতে ৩ ফসলের চাষ অনেকটাই আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন ঐ এলাকার কৃষকদের । নকলা উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: সারোয়ার জাহান শাওন বলেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিরতা প্রকল্পের আওতায় প্রদর্শনীর মাধমে বস্তায় আদা চাষ করা হয়েছে । এছাড়া টালকি চাঁনাবাড়ি ব্লকে আরও অনেক কৃষক নিজেরা বস্তায় আদা চাষ করে লাভবান হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে । নকলা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদী বলেন এই প্রদর্শনীতে কৃষককে কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক বিনামূলে
৮০ কেজি আদা বীজ , ৮ হাজার টাকার বস্তা, প্রয়োজনীয় সার , ১৫শত টাকার পেঁপের চারা, ৩৫শত টাকার বালাইনাশক দেওয়া হয়েছে ।
এনএএন টিভি / ইউসুফ আলী মন্ডল
