বিনোদন কেন্দ্রের অভাবে ঈদগাঁওর রেললাইনে ভ্রমণ পিপাসুদের ভীড়

বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের রেলপথে এবার ভ্রমণপিপাসু নারী-পুরুষের ভীড় যেন চোখে পড়ার মত।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ঈদগাঁও ইউনিয়নের কালিরছড়া হয়ে ইসলামাবাদ পার হয়ে ইসলামপুর ইউনিয়ন পযন্ত দৃষ্টিনন্দন রেল পথে বৈকালিক সময়ে বিনোদন খুঁজে থাকেন আনন্দ প্রিয় মানুষরা।

ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলসহ দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-স্বজনও প্রিয়জন সহ বিভিন্ন বয়সের অসংখ্য মানুষের সমাগমে মুখরিত হয় রেল সড়ক।

রেললাইনের দুই পাড়ের বিশুদ্ধ বাতাস আর প্রকৃতির নির্মল সৌন্দর্য্য উপভোগ করে ভ্রমণ পিপাসু নারী-পুরুষরা। ইট -পাথরের দালানে বন্দি শহরের মানুষ গুলোও প্রকৃতির বিশুদ্ধ বাতাসে খানিকটা সময় থেকে স্বস্তির নিশ্বাস নিতে আসেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ-যুবকসহ নানা বয়সী মানুষে মুখরিত রেললাইন। সদ্য বিদায়ী ঈদুল ফিতর পরবর্তী বেশি আনন্দপ্রেমী মানুষের উপস্থিতি। তপ্ত রোদও মানছেনা ভ্রমণে আসা লোকজন। যতদূর চোখ যায় সবুজে ঘেরা চারপাশ। নিরব প্রকৃতির বিশুদ্ধ নির্মল বাতাসে ভ্রমণ পিপাসুরা মেলে ধরেছেন নিজেদেরকে। যেন স্বস্তির নিশ্বাস নিচ্ছেন তারা। রেলবিট আর সবুজ ঘাসে বসে নানা খোশগল্পে মেতেছেন অনেকে। নানা ঢঙে ছবি তুলছেন কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতীরা। কেউ কেউ সেলফিতে বন্দি করছেন নিজেদের। কেউবা পরিবার নিয়েও ছবি তুলছেন। কেউ কেউ প্রকৃতির সেই মনোহর দৃশ্যের ভিডিও ধারণে ব্যস্ত।শিশুরা মনের আনন্দে খেলছে। শিশুদের আনন্দে আনন্দিত পরিবার পরিজনরাও। কেউ কেউ আসছেন সখ করে স্বাদের সেই ট্রেন দেখার জন্য।

স্থানীয় তাহের ও পেঠানরা জানান, রেললাইন কোন বিনোদন স্পট নয়। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বিনোদনের কোন সুবিধা না থাকায় এলাকায় শিশু কিশোরসহ নানা শ্রেনী পেশার লোকজনরা বিকেলে ঘুরতে আসেন রেলপথে।

ঘুরতে আসা সানজিদা জানান, এমন খোলামেলা স্থান যে কারো ভাল লাগবে।প্রকৃতির বিশুদ্ধ বাতাস আসলে মন কেড়ে নেয়।

এনএএন টিভি / এম আবু হেনা সাগর