দেশের সর্বোচ্চ তাপ দাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদী। ৩ এপ্রিল বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদীতে রেকর্ড করা হয়েছে। বেলা ৩টায় এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২০ শতাংশ। ফলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ অঞ্চলে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান বুধবার রাত ৯ টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে, তীব্র রোদ আর গরমে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এই গরমে সবচাইতে বেশি কষ্টে আছে রোজাদার ব্যক্তিরা। বাইরে, রাস্তাঘাটে, বাজারে লোকজনের চলাচল খুবই কম। খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, গত কয়েকদিন থেকে চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি তাপদাহ। গত ১ এপ্রিল সোমবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস, ২ এপ্রিল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্র ছিল ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সর্বশেষ ৩ এপ্রিল বুধবার যৌথ ভাবে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদীতে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরণের তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় জনজীবনে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।

আগামী ৩ দিন এই তাপমাত্রার পারদ আরো বাড়বে। এ সময় তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠতে পারে। আপাতত বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে কালবৈশাখী ঝড়ের বিষয়ে আগে থেকে বোঝা যায় না। দুই-এক ঘণ্টা আগে ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়া যায়।
এদিকে, বাইরে রোদের তীব্র তাপ, সেই সাথে গরমে মানুষ এক প্রকার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন। বাইরে না বেরিয়ে ঘরে অবস্থান করে ফ্যানের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে নিম্ন আয়ের দিনমজুর ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের ক্ষেত্রে। তারা এই তীব্র রোদ ও গরম উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে বাইরে অবস্থান করছেন।
চুয়াডাঙ্গা শহরের জনৈক এক রিকশা চালক বৃদ্ধ বলেন, ‘কী আর বলব, এই রোদ-গরমে রোজা থাকতে খুব কষ্ট হচ্ছে। আবার বসেও থাকতে পারছি না। বসে থাকলে পেটে ভাত জুটবে না।
এনএএন টিভি / শামসুজ্জোহা পলাশ

Comments are closed.