“ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ”। তাই এই ঈদের খুশি যাতে ম্লান না হয় দামের কাছে এটাকে মাথায় রেখে সাধ্যের মধ্যে ঈদের জামা কাপড় কিনতে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনিতে অবস্থিত পপি এন্টারপ্রাইজ।
“ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে যাক” এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিবছরের ন্যায় এবারের ঈদেও পাইকগাছার কপিলমুনিতে অবিশ্বাস্য কম মূল্যে ঈদের কেনাকাটার সুযোগ করে দিয়েছেন মেসার্স পপি এন্টারপ্রাইজ স্বত্বাধিকারী
মানবাধিকার কর্মী ও সিনিয়র সাংবাদিক এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ। ২০ তম রমজান থেকে কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মেসার্স পপি এন্টারপ্রাইজের শোরুম ছাড়াও ক্রেতাদের বাড়তি সুবিধার্থে গার্লস স্কুল সংলগ্ন ড্রিম টাচ শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায়ও বর্ধিত কলেবরে দ্বিতীয় শাখায় সর্বনিম্ন নির্ধারিত মূল্যে পোশাক বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। যা চলবে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের দিন পর্যন্ত। বুধবার সকালে সন্তানদের জন্য জামাকাপড় কিনতে আসা মরিয়ম বেগম জানান, বাজেটের মধ্যে পাওয়া খুব কষ্টকর। তবে সব জায়গা ঘুরে পপি এন্টারপ্রাইজে এসে বাজেটের মধ্যে সন্তানদের

পোশাক কিনতে পেরে ভালো লাগছে। কেনাকাটা করতে আসা আরো কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সর্বনিম্ন নির্ধারিত মূল্যে সন্তানদের জন্য নতুন কাপড় কিনতে পারায় বেজায় খুশি হয়েছেন তারা। স্বল্প পরিসরে পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন বলেও জানান অনেকে। আর তাই আয়োজকদের জন্য প্রাণ ভরে দোয়াও করছেন অনেকে। এ ব্যাপারে মেসার্স পপি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মানবাধিকার কর্মী ও সিনিয়র সাংবাদিক এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ জানান, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষেরা যেন আর্থিক সংকটে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্যই বরাবরের ন্যায় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন। প্রিয় সন্তানের আবদার মেটাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পিতা-মাতার পাশে দাঁড়ানোর সামান্য চেষ্টা মাত্র। তিনি আরো জানান আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করলে অসহায়-ছিন্নমূল মানুষের মুখে হাঁসি ফোটানো সম্ভব। বিক্রয় বেশি হওয়াতে লসের পরিমাণ বাড়লেও ভবিষ্যতেও এমন কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এনএএন টিভি / তৃপ্তি রঞ্জন সেন
