যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের পর এক তরুণীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের পর এক তরুণীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিহতের পরিবার জানায়, তালা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আনিছুর রহমানের মেয়ে সুমি খাতুনের (১৮) সাথে প্রায় ৫ মাস আগে কলারোয়া উপজেলার বাকসা গ্রামের জাফ্ফার বিশ্বাসের ছেলে মাতিন বিশ্বাসের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় আংটি, মোবাইল ফোন ও আসবাবপত্র দেওয়া হলেও যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল দেওয়ার কথা ছিল।

এ নিয়ে শ্বশুর জাফ্ফার বিশ্বাস ও শাশুড়ি মুসলিমা বেগম প্রায়ই সুমিকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেন নিহতের বাবা।

গত ১ ডিসেম্বর রাতে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তিনি দেখেন ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পড়ে আছে সুমির মরদেহ। তার অভিযোগ “আমার মেয়েকে প্রায়ই নির্যাতন করা হতো। তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে।”

নিহতের মা বলেন, “আমার মেয়ে বিয়ের পর সুখে ছিল না। যৌতুকের জন্য তাকে বারবার নির্যাতন করা হতো। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।”

এলাকাবাসী জানান, বিয়ের পর থেকেই সুমি খাতুনকে প্রায়ই নির্যাতন করতে দেখা যেত।  তারা দাবি করেন এটি আত্মহত্যা নয়, বরং তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।

অন্যদিকে শ্বশুর জাফ্ফার বিশ্বাস ও শাশুড়ি মুসলিমা বেগম অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা জানান, সুমি খাতুন নিজেই আত্মহত্যা করেছেন; তারা হত্যার কোনো ঘটনা ঘটাননি।