আবারও দাম বাড়লো কাঁচা মরিচের

গতবছরের জুন ও জুলাই মাসে দামের রেকর্ড করেছিল কাঁচা মরিচ। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের দাম তখন কেজিপ্রতি হাজার টাকা ছাড়িয়েছিল। মাঝে আমদানিসহ ভোক্তা অধিকারের তদারকিতে দাম কমেছিল এর। তবে এখন আবারও চোখ রাঙাচ্ছে এর ঝাল!

বিক্রেতাদের দাবি, তীব্র গরমের কারণে গাছ মরে যাচ্ছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন; তাই বাড়ছে দাম।

বাজারে সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে খুচরা পর্যায়ে এখন কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকায়। দাম বেড়ে গেছে পাইকারি পর্যায়েও; কেজিপ্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়।

ক্রেতারা বলেন, গরমের অজুহাত দিয়ে আবারও কাঁচামরিচের বাজার অস্থির করার চেষ্টা চলছে। মইদুল হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, গতবছরের মতো আবারও কাঁচামরিচের বাজার অস্থির করার পাঁয়তারা চলছে। গতবার বৃষ্টি আর এবার অজুহাত দেয়া হচ্ছে গরমের। বাজারের লাগাম টেনে ধরতে এখনই আমদানির অনুমতি দেয়া উচিত। না হলে এবারও হাজার ছাড়াতে পারে দাম।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, মোকামে বেড়ে গেছে কাঁচা মরিচের দাম; এর প্রভাব খুচরা পর্যায়েও পড়ছে।

আর পাইকারি বিক্রেতারা জানান, প্রতিবছরের মতো এ বছরও বাড়ছে এর দাম। অন্যান্য বছর গরম ও ঝড়-বৃষ্টির কারণে হলেও এবার তীব্র গরমে মরিচের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। তাই কিছুটা সরবরাহ ঘাটতি হওয়ায় বাড়ছে দাম।

বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি ইমরান মাস্টার বলেন, প্রতিবছর এ সময়ে কাঁচামরিচের দাম বাড়ে। তীব্র গরম ও ঝড়-বৃষ্টি এর মূল কারণ। তবে এখনই আমদানির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সামনে বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমদানির অনুমতি দেয়া যেতে পারে।

উল্লেখ, বাজার নিয়ন্ত্রণে গত বছরের ২৫ জুন ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার।

 

এনএএন টিভি