রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কমতে শুরু করলেও পটুয়াখালীতে কাঁচা মরিচের দাম এখনও ঊর্ধ্বমুখী; কেজি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়।
বেশ কয়েকদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী দেশে কাঁচা মরিচের বাজার। তবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে কমতে শুরু করেছে দাম। কিন্তু পটুয়াখালীতে ব্যতিক্রম।
জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচা মরিচের দাম।
মাত্র দুদিনের ব্যবধানে বেড়ে গিয়ে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়।
গত দুদিন আগেও যেটি বিক্রি হয়েছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
এতে প্রত্যাশা অনুয়ায়ী কাঁচা মরিচ কিনতে না পেরে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ক্রেতারা। অনেকেই আবার ১০০ গ্রাম ও ২০০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনে বাড়ি ফিরছেন।
কামরুল হক নামে এক ক্রেতা জানান,
কাঁচা মরিচ এখন যেন সোনার হরিণ। আমার বয়সে কোন দিন কাঁচা মরিচের এক হাজার টাকা কেজি দেখিনি।
সাধ্যের বাইরে দাম হওয়ায় অনেকেই এখন রান্নায় এর ব্যবহার বাদ দিয়ে দিয়েছেন।
অনেকেই আবার কাঁচা মরিচ না কিনতে পেরে শুকনা মরিচ কিনে বাড়ি ফিরছেন।
বিক্রেতারা বলেন, পাইকারিতে প্রতি কেজি মরিচ কিনতে খরচ পড়ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা।
এক কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি করে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা লাভ না হলে ব্যবসা করে টিকে থাকা যাবে না।
আর বাজারে সরবরাহ কম থাকায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে গেছে বলে জানান আড়তদাররা।
এদিকে, কাঁচা মরিচের ঊর্ধ্বমুখী বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৫ জুন থেকে এটি আমদানির অনুমতি দিয়েছে।
এর মধ্যে দুদিন আমদানির পর ঈদের কারণে আপাতত বন্ধ রয়েছে।
ছুটি শেষে বন্দরগুলো চালু হলে দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আবারও দেশে আসবে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ। তাতে দাম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন :
