কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙেছে ডাবের দাম।
নগরীতে ইচ্ছেমতো দামে ডাব বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।
কোনও কোনও বিক্রেতা এক জোড়া ডাব ৪০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন।
সরেজমিনে ডাবের দামে এমন চিত্রই দেখা গেল রাজধানীর নগরীর বিভিন্ন এলাকায়।
তবে বিক্রেতাদের দাবি, মৌসুম না হওয়ায় এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের কারণে চাহিদা বেশি থাকায় ডাবের দাম বেশি।
সেই সঙ্গে বেশি দামে কেনায় চড়া দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
বাড্ডা এলাকার ডাব বিক্রেতা আব্দুর রাজ্জাক জানান,
আমরা কম দামে কিনতে না পারলে ক্রেতাদের দাম কমে কিভাবে দিবো?
পাইকারী বাজারে ডাবের দাম অনেক বেশি এজন্য আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
তবে দাম বেশি হওয়াতে ডাব কম বিক্রি হচ্ছে।
এই বিক্রেতা আরও জানান,
আগে যেখানে দিনে দেড়শো ডাব বিক্রি করতে পারতাম সেখানে ১০০ ডাব বিক্রি করতেও হিমসিম খেতে হয়।
তবে ডাবের দাম মানুষের নাগালের বাহিরে সেই কথাও স্বীকার করেন তিনি।
রামপুরা কাঁচাবাজারে ডাব কিনতে আসা নাজমুল হাসান বলেন,
হঠাৎ করেই ডাবের দাম বেড়ে গেছে। ৫০০ টাকা নিয়ে এসেছিলাম যে ৫/৬টা ডাব কিনবো।
সেখানে দুইটা ডাব ৪০০ টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছি।
তবে সাইজ অনুযায়ী ডাবের দাম একটু কমবেশি আছে।
তিনি আরও বলেন,
১৫০ টাকার নিচে কোনও ডাব নেই।
বড়গুলো ২০০-২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের বেঁধে দেওয়া দামেই কিনতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ।
১০ টাকা কম বললেও বিক্রেতারা বিক্রি করছেন না।
ডেঙ্গুের কারণে অস্বাভাবিকভাবে ডাবের দাম বেড়ে গেছে বলেও মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুন :
