নিজ বাড়ি থেকে একটি ব্যাগে কিছু আম নিয়ে বৃদ্ধা সুফিয়া বেগম (৮৫) হেঁটে রওনা হন মেয়ে নুরজাহান বেগমের বাড়ির উদ্দেশে।
প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পৌঁছার পর পাটক্ষেতে পড়ে যান তিনি।
সেখান থেকে আর উঠে দাঁড়াতে পারেননি, ওই ক্ষেতের মধ্যেই প্রায় তিন দিন পড়ে ছিল তার মরদেহ।
বৃহস্পতিবার (৮ জুন) রাতে রাজবাড়ীর কালুখালী থানা পুলিশ সুফিয়া বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য আজ শুক্রবার সকালে মর্গে পাঠায়।
বৃদ্ধা সুফিয়া রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের তফাদিয়া গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলী মণ্ডলের স্ত্রী।
সুফিয়া বেগমের মেয়ে নুরজাহান বেগম জানান, গত ৬ জুন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মা নিজ বাড়ি থেকে খাওয়াদাওয়া করে
একটি ব্যাগে কিছু আম নিয়ে পার্শ্ববর্তী বোয়ালিয়া এলাকায় থাকা তাদের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তবে তার মা আর তার বাড়িতে যাননি।
নুরজাহান ভেবেছিলেন, তার মা মনে হয় বাড়িতেই আছে। আবার তাদের বাড়ির লোকজন ভেবেছে সুফিয়া বেগম মেয়ের বাড়িতে গেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার নুরজাহান বাবার বাড়িতে আসেন এবং মায়ের খোঁজ করেন। বাড়ির লোকজন জানায়, তিনি তাদের বাড়িতে গেছেন।
এরপর তারা সবাই মিলে সুফিয়া বেগমকে খোঁজা শুরু করেন।
একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের পাটক্ষেতের মধ্যে অর্ধগলিত অবস্থায় তার মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আর পাশে পড়ে ছিল তার জন্য নিয়ে যাওয়া আমের ব্যাগ।
কালুখালী থানার ওসি প্রাণবন্ধু চন্দ্র বিশ্বাস জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর আজ শুক্রবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন :
