নওগাঁর হাটগুলোতে জোগান বেড়েছে ধানের, তা সত্ত্বেও সপ্তাহ ব্যবধানে মণপ্রতি ১৫০ টাকা কম দরে ধান কিনছেন মিলাররা।
শুক্রবার (৯ জুন) নওগাঁর হাটের সরেজমিনে দেখা গেছে, বিক্রি করা ধানের টাকা হাতে নিয়ে উৎপাদন খরচের সঙ্গে হিসাব মেলাতে পারছেন না কৃষক জাহিদুল।
এক সপ্তাহ আগে ১ হাজার ২৮০ টাকায় বিক্রি করা ধানের দাম হঠাৎ প্রতি মণ ১ হাজার ১০০ টাকায় নেমে আসায়
নওগাঁর সরস্বতী পুরের জাহিদুলের মতো অনেক কৃষকেরই হিসাবের খাতায় গরমিল হয়ে গেছে।
জেলার হাটে প্রতি মণ জিরাশাল ১ হাজার ১২০ টাকা, কাটারি ১ হাজার ১১০ টাকা, সুবলতা ১ হাজার টাকা,
বি-ধান ১ হাজার ২০০ টাকা, গোল্ডেন আতপ ১ হাজার ৫০ টাকা, হাইব্রিড ৯০০ টাকা এবং পারিজা ১ হাজার ১৮০ টাকা।
দফায় দফায় কৃষি উপকরণের দাম বাড়লেও নানা অজুহাতে নওগাঁর হাটগুলোতে মণপ্রতি ধানের দর ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে দেয়া হয়েছে।
আর এভাবে ধানের দরে কমে যাওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের কারসাজিকেই দায়ী করছেন কৃষকরা।
ধানের দাম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে এক কৃষক বলেন, ব্যবসায়ীরা ঠিকই লাভ করছেন।
এখানে আমরা কৃষকরা ঠকে যাচ্ছি। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের কোনো ভূমিকাই নেই।
এদিকে দর কমার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা লোডশেডিংসহ নানা অজুহাত দেখাচ্ছেন।
এক ব্যবসায়ী বলেন, মিল-কারখানায় লোডশেডিংয়ের কারণে ধানের দাম কমছে। তাছাড়া বড় বড় কোম্পানিগুলো ধান কিনছেন না।
উল্লেখ্য, জেলায় ৫টি করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ৪টি অটো ও সাড়ে ৪০০ হাসকিং মিল রয়েছে।
চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে, যা থেকে প্রায় ১২ লাখ টন ধান কৃষকের ঘরে উঠেছে।
আরও পড়ুন :
- বন্দরে কুকুরকে বাঁচাতে প্রাণ দিলেন কলেজছাত্র
- মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০৮ জন
- বাংলাদেশের রাজনীতির ‘রহস্য পুরুষ’ আর নেই
- প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বত্তা আছে, আজকের রাশিফল
- কোরবানির পশুর চামড়া সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে আনার দাবি
- সারা দিন শরীর কেমন থাকবে নির্ভর করে সকালের খাবারে
