ঈদগাঁও বঙ্কিম বাজারে একটি ইলেকট্রিক্যাল দোকানে বড় চুরির ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিন পর মালিকপক্ষ বিষয়টি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে আটক করে। পরে স্থানীয় মেম্বারের জিম্মায় তাকে পিতা মাতার কাছে হস্তান্তর করেছে। গতকাল বিষয়টি মালিক পক্ষের নিকট জানাজানি হয়।
জানা গেছে, ঈদগাঁও বঙ্কিম বাজারে মেসার্স ইউসুফ এন্টারপ্রাইজ নামে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বিক্রির একটি দোকান রয়েছে। দোকানটির মালিক জালালাবাদ লরাবাগ গ্রামের মৃত হাজী এমতাজ আহমদের পুত্র আবছার কামাল।
এ দোকানে দীর্ঘদিন কর্মচারী হিসাবে চাকুরী করে আসছে ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজ পাড়া গ্রামের ছৈয়দুল হকের পুত্র মোবারক। মালিক পক্ষের অগোচরে সে দোকানে বিক্রির জন্য আনা বিআরবি ক্যাবলস কোম্পানির সাত কয়েল তারও স্টককে চুরি করে বিক্রি করে দেয়
অভিনব উপায়ে তারের ভেতরে থাকা তামা গুলো সে পার্শ্ববর্তী এক যুবকের কাছে বিক্রি করে। প্রতীক কেজি ৯শত টাকা হারে বিক্রি করেছে বলে সে তদন্তে আসা পুলিশের কর্মকর্তা নিকট স্বীকার করে। দীর্ঘ একমাস যাবত সে দোকানে এভাবে তার থেকে তামা বের করে বিক্রি করেছে বলে জানিয়েছে।
তবে মালিক আবছার কামাল তার দোকান থেকে কয়েক লক্ষ টাকার ইলেকট্রনিক মালা মাল চুরি করেছে বলে দাবি করেন। বিষয়টি মালিক জালালাবাদের মেম্বার নুরুল হুদা ও মেম্বার মুজিবুর রহমানকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে অভিযুক্ত কর্মচারীর পিতা ও মাতা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে এ প্রতিনিধি এবং উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তার নিকট অভিযুক্ত কর্মচারী নিজের কৃতকর্মের জন্য ভুল স্বীকার করে বলেন, গরিবের সংসার বিধায় লোভের বশবর্তী হয়ে চেয়ে সে এ অপকর্ম করেছে। মালিকপক্ষ তাকে যে শাস্তি দেয় সে তা মেনে নিবে বলে সকলের নিকট স্বীকার করেন। সে ভবিষ্যতে এ ধরনের গর্হিত কাজে জড়াবেনা বলেও জানায়।
দোকান মালিক আবছার জানান, উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কর্মচারী কে তার এলাকার স্থানীয় মেম্বার আমির হোছাইনের মধ্যস্থতায় পিতা-মাতার কাছে দেয়া হয়েছে।
এস,আই মাহবুব আলম জানান,কর্মচারী যেহেতু অকপটে স্বীকার করেছে এবং ক্ষতিপূরণ দিতে সেও তার পিতা-মাতা প্রস্তুত আছে সেহেতু স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য উপস্থিত সুধীগণ অনুরোধ জানান। এরপরও দোকান মালিক লিখিত অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনএএন টিভি / এম আবু হেনা সাগর
