গোগনগরে সন্ত্রাসী করলে পিঠের চামড়া থাকবে না : সেলিম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেন, যারা জীবিত আছেন তাঁরা আমার পাশে নাই। কেন আসেন না এটা আমাকে খতিয়ে দেখতে হবে।

কেন আসেন নাই আমি জানি। ইতোমধ্যে এই এলাকায় একটা মার্ডার হয়েছে।

তারপর থেকে আমি এখানে আসা বন্ধ করে দিয়েছি।

আমি আসা যখন শুরু করে দিয়েছি তুমি যত বড় বাপের বেটা হও না কেন যদি আবার গ্রুপিং করছ

যদি আবার মারামারি করছ দোয়া কর সেলিম ওসমানকে যেন আল্লাহ উঠিয়ে নিয়ে যায় নাহলে তোমার পিঠের চামড়া থাকবে না।

শুক্রবার (২৬ মে) বিকেলে শহরের সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের পুনর্মিলনী ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সেলিম ওসমান বলেন, কে সন্ত্রাসী, ইতরামি, মানুষকে অসযোগিতা করে আমি তাদেরকে চিনি। দুইটা গ্রুপ দাঁড়িয়েছে একই গ্রুপ থেকে।

কেন? কি কারণে? হাত থাকবে না। হাত চলবে না।

পাঁচজন সাতজন দশজন মানুষ আমার গোগনগর ইউনিয়নের মানুষকে কষ্ট দিবে এটা হতে পারে না। তাহলে আমার জীবিত থাকার কোনো দরকার নেই।

ফজর আলীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, চেয়ারম্যানকে আমি নির্দেশ দিয়ে গেলাম আপনি প্রক্যেকটা ওয়ার্ডের মানুষকে চিনেন।

আমি শুনতে চাই না এই এলাকায় সন্ত্রাস আছে। এই এলাকায় আবার মার্ডার হতে পারে। আপনি কমিটি গঠন করবেন।

আমাকে নাম দিতে হবে কারা এই গ-গোল করছে। আমি কসম খেয়ে গেলাম সে যদি আমার বাপও হয় ছাড় দেয়া হবে না।

আমার নির্বাচনে ফেইল করিয়ে দিবেন। দেন আপনার পকেটে আমার ভোট না।

আপনি আমাকে দয়া করবেন আমার মিছিল মিটিং করে দিবেন আমার মিছিল মিটিংয়ের দরকার নেই।

আমার ঘরের মেয়েরা শান্তিতে থাকবে তাঁরা ভয় পাবে না। এই এলাকা অনেকটা পাকিস্থানির সময়ের মতোই হয়ে গেছে।

নওশেদ চেয়ারম্যানের গায়ে হাত তুলতে পর্যন্ত তাঁরা দ্বিধা করে নাই। এজন্য তিনি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।

সন্ত্রাসীদের শুধরানোর সুযোগ দিয়ে সেলিম ওসমান বলেন, আমি সাবধান করে দিয়ে গেলাম এখনও তোমরা ভালো হতে পারো।

তোমারা আমার সাথে দেখা করতে পারো। তোমাদের অভাব আমাকে বলতে পারবে।

তোমাদেরকে আমি মিলিয়ে দিতে পারি তোমাদেরকে ভালো মানুষ বানিয়ে দিতে পারি। কিন্তু আমাকে চ্যালেঞ্জ করো না।

আগামী সপ্তাহের মধ্যে চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে আসো আমার অফিসে আসো আমি তোমাদের খাওয়াবো।

কিন্তু আমাকে কথা দিতে হবে আমার মাঝে কোনো ভুল বুঝাবুঝি থাকবে না ভেদাভেদ থাকবে না। এলাকায় কোনো সন্ত্রাস করবেন না।

তিনি আরও বলেন, আসো চাকরি লাগে ব্যবসা লাগে আমি তোমাদের সহয়তা করবো। আমি বাপের মতো বললাম তুমি সন্তান আসো ভালো হয়ে যাও।

আমি অনুরোধ করবো সবাইকে একসাথে কাজ করার জন্য। একজন আরেকজনের ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন।

ইউনিয়ন পরিষদের ফজর আলী, জসিম উদ্দিন ও নুর হোসেন যদি একসাথে হয়ে যায় তাহলে এলাকার উন্নয়ন থেমে থাকবে না। কেন এই ঝগড়া ?

এনএএন টিভি