চালককে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাই; আটক ১

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশে ইসমাইল হোসেন নামে এক চালককে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনিয়ে নেয় আব্দুল্লাহ নামে এক যুবক।

পরে ছিনতাই করা অটোরিকশাটি বিক্রি করতে গিয়ে গণধোলইয়ের পর পুলিশের হাতে আটক হয় আব্দুল্লাহ।

এদিকে, শনিবার রাত ১টার দিকে উপজেলার তাড়াশ-কুন্দইল আঞ্চলিক সড়কের দীঘি নামক এলাকায় রাস্তার পাশের ধানক্ষেত থেকে নিহত অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজিপুর গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে এবং আটক আব্দুল্লাহ একই উপজেলার শ্রীপুর দিয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

তাড়াশ থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান,

আব্দুল্লাহ শনিবার সকালে ইসমাইলের অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে তাড়াশের উদ্দেশে রওনা হন।

দুপুরের দিকে তাড়াশ-কুন্দইল আঞ্চলিক সড়কের বিস্তীর্ণ চলনবিল অধ্যুষিত দীঘি এলাকায় পৌঁছলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে চালক ইসমাইলকে হত্যা করেন আব্দুল্লাহ।

মৃত্যু নিশ্চিত করে রাস্তার পাশে ধানের জমিতে লাশ ফেলে দিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।

পরে ছিনতাই করা অটোরিকশাটি তাড়াশের কাস্তা এলাকায় বিক্রি করতে গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।

চোর সন্দেহে তাকে গণপিটুনি দিয়ে মাধাইনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিবের কাছে নিয়ে যান স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আব্দুল্লাহকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ইসমাইলকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টার দিকে অভিযান চালিয়ে ইসমাইলের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় রোববার সকালে নিহত ইসমাইলের ভাই আনিস প্রামাণিক বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে আব্দুল্লাহকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয় ।