নকলায় বিদুৎ বিভাগের ব্যাপক দুর্নীতি, কোটি টাকার বাড়তি বাণিজ্য!

শেরপুরের নকলায় আবাসিক প্রকৌশলীর দালালেরা গ্রাহকদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বাড়তি টাকা।

ঘটনা সূত্রে জানা গেছে,

‘নকলায় মেদিরপাড় গ্রামের চাঁন মিয়ার হিসাব নং ৫৭১৮ কনজোমার নাম্বার ৭১৮৬৯২৬০ বৈধ লাইন থাকা সত্বেও অবৈধ লাইনের কথা বলে তার কাছে চলতি মাসের ১৬ হাজার টাকা বিল করা হয়েছে।’

‘এছাড়াও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

‘ইয়াছমিন বেগম খারজানের বাসিন্দা তার নামে একটি লাইন চালু হয় ২০০৫ সালে সে ২০১০ সালে সিরাজুল খারজান তার কাছে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়।’

‘একই লাইন সিরাজুল ২০১৩ সালে আদমপুরের নাজমার কাছে বিক্রি করে দেয়। নাজমা আবার রমজানের কাছে ২০২২ সালে বিক্রি করে দেয়।’

‘রমজান কনজোমার নাম্বার ৭১৮২৪৯২৮ হিসাব নং ১৩২ সংযোগ নিয়ে রাইছ মিলে ব্যবহার করে।’

‘রাইছ মিলের কাছে একটি ট্রান্সফারমার বসানো ২ মাস যাবত ট্রান্সফারমার নষ্ট থাকার পরও তার গত জুলাই মাসে বিল করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮শত ৯৫ টাকা।’

এদিকে জানা গেছে,

‘রাইছ মিলের সংযোগ লাইনটি মিটারে উঠেছে ৫০৬৫৮ ইউনিট গত মাসে বিল করেছেন ৭৬৭৫০ ইউনিট, ২৬০৯২ ইউনিট বেশি দেখানো হয়েছে।’

‘এতে করে ঐ গ্রাহকের ২ লাখ ৮৭ হাজার ১২ টাকা বেশি গুণতে হয়েছে।’

‘এমন অভিযোগ রয়েছে আব্দুল আজিজ তার ২০০ টাকার স্থলে বিল করা হয়েছে ৪৫০০ টাকা, নুরজাহান খারজার তার ১০১৯ ইউনিটের বিল বেশি করা হয়েছে।’

‘মিটার রেডিং না দেখে মনগড়া বিল তৈরি করে ২জন দালালের মাধ্যমে আলাল ও ফারুকের তদারকিতে খারজান ,

আদমপুর , মেদিরপাড় ৩টি গ্রাম থেকে ১ কোটি টাকার প্রতারনা মূলক বিল আদায় করে নিয়েছেন আবাসিক প্রকৌলী ছোরহাফ আলী।’

এদিকে, বুধবার ৫টি গ্রামে সারাদিন মাইক প্রচার করে গ্রামবাসিকে জড়ো করে খারজান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কর্মসূচী গ্রহণ করছেন।

এ প্রসেঙ্গে বিদুৎ গ্রাহকেরা বলছেন, ‘স্বারক লিপি প্রদান করা হবে। উদ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে জানানো হবে।

ইউসুফ আলী মন্ডল, শেরপুর

এনএএন টিভি