পঞ্চবটী-বক্তাবলী ফেরী ঘাটের ঝূঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে মানুষের অবাধ চলাচল!

নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার ফতুল্লার পঞ্চবটী-বক্তাবলী ফেরী ঘাটের রাস্তাটি দিয়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ চলাচল করে। তবে সড়কটির মুসলিমনগর দক্ষিনপাড়া জমজম জামে মসজিদের সামনের অংশটুকুতে সারা বছরই পানি জমে থাকে, সামান্য বৃষ্টিতে হলেই তলিয়ে থাকে এই সড়কটি।

সড়কটিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও এটি নরসিংপুর প্রাইমারী স্কুল পর্যন্ত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেই ময়লা পানিও রাস্তায় উঠে যায়।

অতি বৃষ্টিতে সড়কটির এতিমখানার ব্যাঙ্গাবাড়ী মোড় থেকে শাহিল গ্রপের ফ্যাক্টরী পর্যন্ত আধা কিলোমিটার রাস্তা পানির নিচে ডুবে থাকে।

এছাড়া, রাস্তাটির বিভিন্ন জায়গায় আবার তিতাস গ্যাস লাইনের লিকেজ রয়েছে, যা জমে থাকা পানিতে বুদ বুদ করতে থাকে সর্বক্ষণই; এতে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

এ কারণে একদিকে পানি এবং অন্যদিকে গ্যাস লাইনের লিকেজ, সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তি আর আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,

পঞ্চবটী-বক্তাবলী ফেরী ঘাটের এই জমজম মসজিদের রাস্তাটিতে দিন দিন মুসল্লীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে, শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারছে না।

পচা পানিতে নেমে প্রায়শই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা, গ্যাসের লিকেজের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ও মুসল্লী দুর্ঘটনার ভয়ে এ রাস্তা ব্যবহারই করছে না।

এছাড়া, আশেপাশের এলাকা শিল্প অধ্যুষিত হওয়ায় রাস্তাটির দুপাশেই গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরণের দোকানসহ নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

তাই মানুষের চলাচল কম হওয়ায় দোকান ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনই ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এছাড়া, শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগের অন্ত নেই।

আর এ সড়কে  চলাচলকারী যানবাহনের চালকরাও জানিয়েছেন তাদের দুর্ভোগের কথা; বছরের পর বছর হলেও এগুলো দেখার যেনো কেউ নেই!

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা তিতাস কর্তৃপক্ষের কেউই যেনো পাশে নেই রাস্তাটি নিয়ে ভুক্তভোগী জনগণদের পাশে দাড়ানোর জন্য।

এই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি এবং এই গ্যাস লিকেজ মেরামত তিতাস কর্তৃপক্ষ কবে করবে তা কারোরই জানা নেই।

সাগর খান, নারায়ণগঞ্জ

এনএএন টিভি

 

ইউটিউবে ভিডিও নিউজটি দেখতে লিঙ্কে ক্লিক করুন—

 

 

Share this news as a Photo Card