পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের দুই কয়েদি মৃত্যুবরণ করেছেন।
মৃতরা হলেন আজমল প্রামাণিক (৬০) ও আবুল কালাম (৪০)।
মৃতদের মধ্যে আজমল প্রামাণিক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে এবং
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আবুল কালাম মারা যান।
দু’জনই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার আব্দুল বারেক।
কয়েদি আজমল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের খলিল প্রামাণিকের ছেলে।
তিনি হত্যা মামলায় ৩০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
প্রায় এক বছর ধরে তিনি হাজতে রয়েছেন।
অপর কয়েদি আবুল কালাম কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক মামলায় তিন মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। গত ২৮ জুলাই থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
কারাগার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজমল বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে
কারাগার থেকে তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টার ১০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, শুক্রবার ভোরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আবুল কালামকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মারা যান।
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শাজাহান আলী নামে এক ব্যক্তিকে
হত্যার দায়ে ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেল হাজতে ছিলেন আজমল।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার জানান,
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের দুই বন্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
জেল সুপার আব্দুল বারেক জানান,
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দু’জনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.