প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ভূঞাপুরে টাঙ্গাইলের জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ছিনতাইয়ের নাটক সাজান আব্দুল মালেক।
রোববার দুপুরে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে সিঁড়ি দিয়ে নিচতলায় নামার সময় ১০ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করে,
পুলিশে অভিযোগ দেন ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে আব্দুল মালেক।
পরে অভিযোগের পর পুলিশ টাকা উদ্ধারে অভিযান চালায়।
আরো পড়ুন : তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেট বাংলাদেশের
তবে টাকার মালিক মালেকের কথাবার্তায় অসঙ্গতি ও ছিনতাইস্থল ভূঞাপুর মৌরিন সুপার মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ ঘটনার কোনো সত্যতা পায়নি।
পরে পুলিশ মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনাটি সাজানো বলে পুলিশকে জানান।
পরে পুলিশ মালেকের দেওয়া তথ্যমতে ওই রাতেই ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দির গনেশ মোড় এলাকার তারই মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে।
সোমবার দুপুরে উদ্ধার হওয়া ১০ লাখ টাকা গ্রাহক আব্দুল মালেকের হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।
ব্যাংকের ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, ব্যাংকের সিঁড়ির নিচ থেকে টাকা ছিনতাই ছিল সাজানো নাটক। ওই গ্রাহক তার প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। এতে ব্যাংকের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছেন তিনি।
ভূঞাপুর থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান,
আরো পড়ুন : কিসমিস ভেজানো পানির অনেক গুণ
জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘাটাইল উপজেলার আথাইলশিমুল এলাকার শাহআলম নামের একজনকে ফাঁসাতে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক মালেক ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক করেছিলেন।
তবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়ার ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত না হওয়ায় টাকার মালিক আব্দুল মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে মালেক ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজানো নাটক বলে স্বীকার করেন।
পরে মালেকের দেয়া তথ্যমতে তারই মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে জনতা ব্যাংক ভূঞাপুর শাখায় জমা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান,
মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টির করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে
