মহাসড়কে অটোরিকশা ও টমটমের দাপট, অবাদে চলছে তিনচাকার যান, ঘটছে নানা দুর্ঘটনা

নেই কোন প্রশিক্ষণ, পূর্বের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নয়, অন্যের দেখাদেখি কম বয়সী তরুনরা এখন তিনচাকা পরিবহনের চালক!

মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে স্টেশনে অবাদে চলাচল করে তিনচাকার যানবাহন। টমটম ও অটোরিকশার দাপট যেন থেমে নেই। যার ফলে ছোট-বড় দুর্ঘটনা বৃদ্ধির পাশাপাশি চার্জিংয়ে বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে। এছাড়া মহাসড়ক সন্নি কটের স্টেশনে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। যানজট ও দুর্ঘটনা মুক্ত রাখতে ট্রাফিক পুলিশকে আরো দক্ষতার সাথে কাজ করার আহবান যাত্রীসহ সাধারণ মানুষের।

জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল কোনভাবে থামছেনা। চলছে হরদম। এমনকি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম পযন্ত বিভিন্ন স্টেশনে পয়েন্টেই
দাপটের সাথে চলছে সিএনজি,ব্যাটারি রিকশা,টমটম ও মালবাহী নসিমন। সড়কে স্বল্প দূরত্বে চলাচলে পরিবহন না থাকায় তিনচাকার যানবাহন ব্যবহার করছে বহু যাত্রীরা।
দেখা যায়,নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই কোন প্রকার অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনভিজ্ঞ চালকরা মহাসড়কে দাপটের সাথে চালাচ্ছে এ যানবাহন। স্বল্প দূরত্বের জন্য মহাসড়কে সহজলভ্য যান হিসেবে এসব যান বেশ জনপ্রিয়। অনেক টা বাধ্য হয়ে এমন গাড়ীতে চলাচল করেন যাত্রীরা। আর এতে মহাসড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমছেনা।
এসব যানবাহনের কারণে কক্সবাজারের প্রবেশদ্বার খ্যাত
ঈদগাঁও বাসষ্টেশনে প্রায় প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়সহ দূরপাল্লার যাত্রীদের। এসব যানের অধিকাংশ চালক অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও অদক্ষ।

স্থানীয় সচেতন মহল জানান, তিন চাকার গাড়ির চালকরা বড় পরিবহনের সাথে পাল্লা দিয়ে চলাচল করছে সড়কে। দেখার যেন কেউ নেই। প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে বড় বড় পরিবহনে সাথে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটছে,নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়, এতে যান থেকে ছিটকে পড়ে যাত্রী আহত হন।
কোন সিগন্যাল ছাড়াও সাইড না দেখে গ্রামের মেঠোপথ থেকে হঠাৎ মহাসড়কে যানবাহন নিয়ে উঠে যান উঠতি বয়সী তরুন ও যুবকরা। ঈদগাঁওসহ মহাসড়কের নানান স্টেশনে তিনচাকার যান রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। নেই নিয়ন্ত্রণ। ট্রাফিক পুলিশ জনবল সংকট থাকার পরও তারা নিরলসভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন যানজট নিয়ন্ত্রণে।

জসিমসহ দূরপাল্লার কয়েকজন গাড়ি চালক জানালেন, মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহন চলাচল থামছেনা। অল্প বয়সী চালকরা দেদারসে চালাচ্ছেন তিন চাকার পরিবহন। এতে গাড়ি চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ সড়ক থেকে বিভিন্ন স্থানে সামনে-পেছনে না দেখে হঠাৎ এসব যান মহাসড়কে চলে আসে। ফলে দূরপাল্লার যান বাহনের চালকেরা অনেক সময় নিয়ন্ত্রণ হারান। এ যানের কারণে ঘন ঘন ব্রেক কষতে হয়। মহাসড়কের পাঁশঘেষেই যাত্রী উঠানামা তাদের রীতিমত অভ্যাসে পরিণত হয় পড়ে
অনেক সময় মহাসড়কে এসব পরিবহন চলার মধ্যে হঠাৎ মোড় নিতেও দেখা যায়।

পথচারী ফাহিম ও রিয়াদ জানান, তিন চাকার ছোট ছোট পরিবহন কোন প্রকার গতিবিধি লক্ষ্য না করে গ্রামীন জন পদের গ্রাম্য সড়কের পাশাপাশি এবার মহাসড়কে উঠেছে।
দূরপাল্লার বড় পরিবহনকে অনেক সময় সাইটও দেয়না। মহাসড়ক গাড়ী চালানোর ন্যূনতম জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও তারা এখনও পযন্ত গাড়ীর হ্যান্ডেল ধরে বসে আছে। তদন্ত পূর্বক অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের গণদাবী।

এনএএন টিভি/ এম আবু হেনা সাগর