মৌলভীবাজারে গত সোমবার (১৪ আগস্ট) আটক করা ১৭ জঙ্গীদের নিয়ে দিনভর অভিযান চালিয়েছে সিটিটিসি ইউনিট; এ সময় জঙ্গীদের দেখানো তথ্যানুযায়ী কালা পাহাড়ের মাটির নীচ থেকে ৬ কেজি বিস্ফোরক ও ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ আগষ্ট) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার পুলিশ লাইন্সে আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিং-এ কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান এই তথ্য জানান।
এর আগে, গত সোমবার আটককৃত ১৭ জঙ্গীর কাছ থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা, বড় বড় কয়েকটি দা এবং ৯৫টি ডিটোনেটর পাওয়া গেছে।
উক্ত প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুজ্জামান,
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নাজমুল হোসেন, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান,
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহসীন, কুলাউড়া থানার ওসি আব্দুছ ছালেক প্রমুখ।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, নাটোর জেলার গাঁওপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের এবং সাহারা বেগমের ছেলে জুয়েল মাহমুদ,
সিরাজগঞ্জ জেলার পুরাবাড়ি গ্রামের মোঃ হেলাল উদ্দিন ও মোঃ রাহেলা খাতুনের ছেলে সোহেল তানভীর রানা,
কক্সবাজারের দক্ষিন শ্রীকুল গ্রামের হামিদুল হক ও হাসিনা বেগমের ছেলে সাদমান আরেফিন ফাহিম,
কক্সবাজারের মধ্যম মংনোয়া মোঃ এনামুল হক এবং নাছিমা খানমের মোঃ ইমতেজার হাসসাত নাবীব,
যশোর জেলার মোল্লাপাড়া গ্রামের আইয়ুব খান বাবু ও মৃত সাবিনা ইয়াছমিনের ছেলে ফাহিম খান,
পাবনা জেলার আতাইকোলা গ্রামের আব্দুল্লাহ এবং মৃত রোজিনার ছেলে মোঃ মামুন ইসলাম,
গাইবান্ধা জেলার চাদপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম মন্ডল এবং আঙ্গুর বিবির ছেলে রাহাত মন্ডল,
জামালপুর জেলার পূর্ব দত্তেরচর গ্রামের মোঃ নূর আলম এবং সুলতানা বেগমের ছেলে সোলাইমান মিয়া,
নারায়নগঞ্জ জেলার গোলা কান্দাইল গ্রামের সেকান্তা শেখ এবং খালেদা বেগমের আরিফুল ইসলাম,
বগুড়া জেলার হাটশিপুর গ্রামের আব্দুল লতিফ এবং রাশিদা বেগমের ছেলে মোঃ আশিকুল ইসলাম,
পাবনা জেলার আতাইকোলা গ্রামের ফজলু মল্লিক এবং আলেয়া খাতুনের ছেলে মামুন ইসলাম,
ঝিনাইদহ জেলার ছয়াইল গ্রামের নজরুল ইসলাম এবং নূরুন্নাহারের ছেলে তানভীর রানা,
সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিন নলতা গ্রামের জহুরুল শেখ এবং মেহেরুন্নেছা বেগমের ছেলে জুয়েল শেখ,
পাবনা জেলার কয়জুড়ি শ্রীপুর গ্রামের ইসলাম মন্ডল এবং হামিদা খাতুনের ছেলে রফিকুল ইসলাম,
পাবনা জেলার দারামোদহা গ্রামের আমজাদ হোসেন এবং আম্বিয়া খাতুনের ছেলে মোঃ আবির হোসেন,
মাদারিপুর জেলার পূর্ব চিয়াইপাড়া গ্রামের মোঃ রেজাউল করিম এবং দিনারা মমতাজের ছেলে মেহেদী হাসান মুন্না,
টাঙ্গাইল জেলার মুমিনপুর গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন এবং জহুরা বেগমের ছেলে কোয়েল।
এদিকে, গত শনিবার (১২ জুলাই) নারী পুরুষ মিলে ১০ জঙ্গী ও তাঁদের সাথে থাকা ৩ শিশু এবং সোমবার সিএনজি অটোরিক্সা চালক ও স্থানীয়দের কাছে ১৭ জন আটক হয়।
দুই দিনে ২৭ জন জঙ্গী আটক হয়েছেন। ১৭জনকে আজই ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে বলে সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান জানান।
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার
