আজ বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকাল থেকে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হয়েছে। সকাল ছয়টা থেকে কিছু শর্ত সাপেক্ষে পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল করছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে যেসব শর্ত মানার কথা বলা হয়েছে:
১. নির্ধারিত টোল দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিতে সেতু পারাপার হতে হবে।
২. মোটরসাইকেলের জন্য নির্ধারিত টোল বুথ ও নির্ধারিত লেন ব্যবহার করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত লেন পরিবর্তন করা যাবে না।
৩. সেতুতে ওভারটেকও করা যাবে না। চালক ও আরোহীকে হেলমেটসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে।
৪. কোনো অবস্থাতেই সেতুর ওপর দাঁড়ানো বা ছবি তোলা যাবে না।
৫. চালকসহ সর্বোচ্চ দুজন মোটরসাইকেলে চড়তে পারবেন।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পদ্মা সেতু দিয়ে আবার শুরু হয়েছে মোটরসাইকেল পারাপার।
ঈদ যাত্রায় পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য শত শত মোটরসাইকেল চালকেরা অপেক্ষা করছেন।
মন্ত্রণালয় বলছে, “এসব শর্ত প্রতিপালন করে পদ্মা সেতু ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
শৃঙ্খলা না মানলে মোটরসাইকেল চলাচলের এ সুযোগ বাতিল করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।”
এর আগে, একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল করতে দেওয়ার নির্দেশনা দেন।
পরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গণভবনে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল চালুর বিষয়টি অবহিত করেন।
একনেক বৈঠকে উপস্থিত সূত্র জানায়, মন্ত্রিসভার একজন সদস্য অবহিত করেন যে ঈদ সামনে রেখে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য শিমুলিয়া–কাঁঠালবাড়ী পথে ফেরি চালু করা হয়েছে।
তবে মোটরসাইকেলের সংখ্যা এত বেশি যে ফেরি দিয়ে পারাপারে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
ঈদের আগের দু–তিন দিন চাপ আরও বাড়বে। তাই পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলতে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে।
গত বছরের ২৬ জুন পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। প্রথম দিনেই সেখানে ঢল নামে মোটরসাইকেলের। সেই রাতে দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হলে ২৭ জুন ভোর থেকে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করে সেতু বিভাগ।

Comments are closed.