শেরপুরের নকলায় সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাজারে, ক্রেতা সাধারণের নিত্য পণ্যের ক্রয় সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য ।
সবধরনের পণ্যের দাম কমেছে । মুরগী বয়লার ২৫০ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা কেজি ,
পাকিস্তানী কক ৩৪০ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়,দেশি মুরগী রমজানের আগে ছিলো ৭০০ টাকা প্রতি কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা করে ,
চাল মোটা ৫২ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা, চিকন ৫৮ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে৫৫ টাকা প্রতি কেজি,
আটা ৭৫ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ৬৩ টাকা কেজি,গরুর মাংস ৭৫০ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা ,
চিনি ১২০ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ১১২ টাকা, ছোলা প্রতি কেজি ৯০ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা ,
সোয়াবিন ১৯০ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকা প্রতি লিটার , করলা ১০০ টাকার স্থলে ৪০ টাকা ,
৬০ টাকার বেগুন ৪০ টাকা , শসা ৪০ টাকার স্থলে ২০ টাকা, মাছ কাতল ও বাংলা জাতীয় কাপ ৩০০ টাকার স্থলে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।
রমজানের বাজারে মূল্য কমে যাওয়ার কারণ হিসাবে ব্যবসায়ীগণ বলেছেন রমজানে বেচাকেনা কম থাকায় এভাবে পণ্যের দাম কমেছে ।
অপর দিকে সরকারী ভাবে প্রতিটি ইউনিয়নে টিসিবি পণ্য বিতরণের সরকারি সিদ্ধান্ত নীতিগত ভাবে কার্যকরি হওয়ায় এখন বাজার স্থিতিশীল রয়েছে ।
বাজার পরিদর্শন করে রিপোর্ট করেছেন আমাদের প্রতিনিধি ইউসুফ আলী মন্ডল ।
আরও পড়ুন:

Comments are closed.