সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পর্যটকবাহী নৌকা বিদ্যুতায়িত হয়ে নিখোঁজ হওয়া পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ জুলাই) সকালে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর পাড়ের তরং শ্রীপুর গ্রামে পেছন থেকে ওই পর্যটকের মহদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
মরদেহ উদ্ধার হওয়া পর্যটকের নাম জামরুল মিয়া (৪৫), তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বারই গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে। অন্য আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে এরা একসঙ্গে ১৭ জন টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে এসেছিলেন।
সন্ধ্যায় টাঙ্গুয়ার পাড়ের তরং শ্রীপুর গ্রামে নৌকা ভিড়ানোর সময় বিদ্যুতের তারে নৌকা লেগে নৌকাটি বিদ্যুতায়িত হয়।
পর্যটকের সকলেই তাৎক্ষণিক পানিতে পড়ে সাঁতার কেটে পাড়ে ওঠার চেষ্টা করে। কেবল জামরুল কে খোঁজে পাওয়া যায় নি।
স্থানীয়রা জানান, হাওরে এখন পরিপূর্ণ পানি থাকায় কিছু এলাকায় বিদ্যুতের তার ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। গতকাল রাতে অন্ধকারে নৌকা চালিয়ে যাবার সময় কিছু বুঝে উঠার আগেই নৌকাটি বিদ্যুতায়িত হয়।
তাহিরপুর থানার ওসি সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানিয়েছেন, তিনি রাত ১২টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে ছিলেন।
খোঁজাখুঁজি করে ও জামরুল কে পাওয়া যায় নি। পরে সকালে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করে।
চলতি মাসের ৮ তারিখে বিদ্যুতের তারের সঙ্গে লেগে স্থানীয় একজন নিখোঁজ ও ২ জন আহত হয়েছিলেন।
পরে একদিন পর নিখোঁজ জানে আলম জেন্টু (৪২) এর মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। নিহত জানে আলম জেন্টু তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের উজান তাহিরপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।
পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রী। এ ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আরও দুই জন। এ ঘটনায় আহতরা হলেন-
রতনশ্রী গ্রামের হাউসবোটের মালিক ইয়াজুল হন (৬৫) ও তার ছেলে উসাস (১৭)। তারা তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
