খুলনার কয়রা থেকে হরিণের ৫৩ কেজি মাংস জব্দ করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার ভোরে উপজেলার ৪ নম্বর কয়রা গ্রামের শাকবাড়িয়া খালের কিনারে অভিযান চালিয়ে এ মাংস উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ সময় তিনটি বস্তায় হরিণের ওই মাংস খালের কিনারে ফেলে পাচারকারীরা খালে ঝাঁপিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়।
এর কিছুক্ষণ পরই পৃথক আরেকটি অভিযানে সুন্দরবনের খালে বিষ প্রয়োগ করে শিকার করা ৩১০ কেজি চিংড়ি জব্দ করেছে পুলিশ।
উপজেলার কাশিরহাটখোলা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এসব চিংড়ি পরিবহনের সময় বিনন্দ বৈদ্য (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কয়রা থানা-পুলিশ।
ওই ব্যক্তি উপজেলার মদীনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা।
থানা-পুলিশ জানায়, আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ৪ নম্বর কয়রা গ্রামের শাকবাড়িয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
সেখানে শাকবাড়িয়া খালের পাড় দিয়ে কয়েক ব্যক্তি প্লাস্টিকের বস্তায় করে হরিণের মাংস নিয়ে যাচ্ছিলেন।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা বস্তা ফেলে খালে ঝাঁপিয়ে পড়ে পালিয়ে যান।
পরে সেখান থেকে তিনটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। তার ভেতরে হরিণের ৫৩ কেজি মাংস পাওয়া যায়।
উদ্ধার করা হরিণের ৫৩ কেজি মাংস আইনি প্রক্রিয়া শেষে মাটিতে পুঁতে নষ্ট করা হয়েছে।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম এস দোহা বলেন, ‘আমরা ভোরের দিকে হরিণের ৫৩ কেজি মাংস জব্দের পরপরই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি,
কয়রার কাশিরহাটখোলা এলাকা দিয়ে সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে শিকার করা চিংড়ি নিয়ে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি।
তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিষ দিয়ে ধরা ৩১০ কেজি চিংড়িসহ একজনকে আটক করে।’
ওসি এ বি এম এস দোহা বলেন, হরিণশিকারিদের ধরতে বন বিভাগের পাশাপাশি সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলছে।
উদ্ধার করা হরিণের ৫৩ কেজি মাংস আইনি প্রক্রিয়া শেষে মাটিতে পুঁতে নষ্ট করা হয়েছে।
আর চিংড়িসহ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন আইনে থানায় মামলার পর আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন :
