নরসিংদীর রায়পুরায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর পক্ষ থেকে অনুদান প্রদান করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কসহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ডৌকারচর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে গুলিবিদ্ধ আহত হাসিব ও বাহাদুরের বাড়িতে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন তিনি। এর আগে সকালে মরজাল ইউনিয়নের ৭ নংওয়ার্ডে গুলিবিদ্ধে আহত আরেক ছাত্র রবিনের বাড়িতে গিয়ে তার শারিরীক খোঁজখবর নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে অনুদান প্রদানকরেন।
পরে বিকেলে ডৌকার চর ইউনিয়নের বেলায়েত আলী উচ্চ বিদ্যালয় বাজার মাঠে ডৌকারচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নূরুজ্জামান এর সঞ্চালনায় ছাত্র আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে যোগ দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কসহ-সম্পাদক ও আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল।
এ সময় তিনি বলেন, খুনি হাসিনা ছাত্রদেও উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়ে ছিলো। কিন্তু আমাদের ছাত্ররা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দেশকে স্বৈরশাসকের হাত থেকে স্বাধীন করেছে। ২৪ এ যারা রক্ত দিয়েছে তাদেও শহীদের মর্যাদা দেওয়া হবে। শেখ হাসিনা সহ তার দোসরদের বিরোদ্ধে হত্যা সহ বিভিন্ন মামলা হয়েছে,বাংলার মাঠিতে এ মামলার বিচার হবে, এ বিচার না হওয়া পযর্ন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঠে আসতে পারবেনা। শেখ হাসিনার বাবা ১৯৭৪,৭৫ এ দেশকে দেউলিয়া করেছিলো তার মেয়ে শেখ হাসিনা ওলুটপাট করে দেশটাকে ধ্বংশ করেছে।ছাত্রজন তার বিজয় হয়েছে এ বিজয় ধরে রাখতে হবে। তারেক রহমান সৎসাহসি নেতা কোন অপকর্ম সহ্য করবেনা,বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে কেও চাঁদা বাজী করলে তাকে পুলিশে দেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন,আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৬টি বছর বিএনপির অনেক পরিবার জেল-জুলুম গুম, খুন, এমন কি ঘরে ঘুমাতে পারেনি। এই অসহ্য যন্ত্রণাসহ্য করতে না পেরে কেউ বাঁশবাগানে কেউ রাতে ঝোপের আধাওে নিশিযাপন করেছেন। পরিবারের কেউ মারা গেলে শোকাহত পরিবারে জানাজায় ডান্ডা বেড়ি পরে অংশ নিতেহয়ত। পরিবারের কারো নামে মামলা হলে বাবা কে না পেলে ছেলেকে ধরে নিয়ে যেত এই স্বৈরাশাসক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। শুধু তাই নয় অনেক বিএনপি পরিবারের মেধা থাকতেও তাদেরকে মেধাশূন্য করে রেখেছে সরকারি চাকরি হলেও তাদেরকে যেকোনো মামলা দিয়ে সরকারি চাকরি হতে দেয়নি।
এ সময় বক্তব্য রাখেন রায়পুরা উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হযরত আলী ভুইয়া ও সেক্রেটারী আব্দুর রহমান খোকন,রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সি ও সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম পলাশ,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক,উপজেলা বিএনপির সি: যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন,প্রচার সম্পাদক মো: শরীফখান, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক,যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাজী আসাদুর রহমান মিলন,উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শাখায়াত হোসেন,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহাবুর রহমান,রায়পুরা উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক,রায়পুরা উপজেলা যুবদল সাবেক আহবায়ক আমজাদ হোসেন ভুইয়া আলতাফ, রায়পুরা পৌর সভা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল আহমেদ সোহেল ও সদস্য সচিব সুমন নেওয়াজ, জেলা যুবদল কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শোহরাফ হোসেন মুন্না, সহ ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মেম্বার, জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান শাহীন মাষ্টার,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ন ভুইয়া, উপজেলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক আলকাছ মিয়া,উপজেলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক ও যুগ্ম আহবায়ক সাগর মিয়া,যুগ্ম আহবায়ক কামাল হোসেন ফকির, উপজেলা মহিলা দল সভাপতি আফরিন আসাদ,রায়পুরা পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আসমা আক্তার, রায়পুরা সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারী আমির হোসেন আমু,উপজেলা কৃষক দল সদস্য সচিব শহীদুল ইসলাম শহীদ,উপজেলা তাঁতীদল আহবায়ক হুরমুজ মোল্লা ও সদস্য সচিব শেখ আলমগীর,উপজেলা মৎস্যজীব দলের আহবায়ক ফিরোজ আল মোজাহিদ,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম আহবায়ক কবির হোসেন কবির,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক ফরাজী, রায়পুরা পৌরসভা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক রাসেল চৌধুরী,ডৌগারচর ইউনিয়ন বিএনপির সি:সহসভাপতি ডাঃ জাহাঙ্গীর,রায়পুরা পৌরসভা তাঁতীদল আহবায়ক শহীদুল ইসলাম চাঁন মিয়া,রায়পুরা কলজে শাখা ছাত্রদল আহ্বায়ক টিপু সুলতান,উপজেলা ছাত্রদল নেতা সামসুর রহমান জয়,ডৌকারচর ইউনিয়ন যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক সাবিকুল ইসলাম,ডৌকারচর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
- Click to email a link to a friend (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on X (Opens in new window)
