২০২২ সালে ৪ ডিসেম্বর থেকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের জন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
গত চার মাস আগে নারায়ণগঞ্জে এসে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছিলেন চলতি বছরের মার্চে শুরু হতে পারে ট্রেন চলাচল।
তবে এখনো প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ন কাজ শেষ না হওয়ায়,চালু হয়নি ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ট্রেন চলাচল।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় এই রুট দিয়ে নিয়মিত চলাচলরত যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের জন্য ঢাকায় যাতায়াতের জন্য ট্রেনকে বেছে নিতেন যাত্রীরা।
দীর্ঘদিন ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়েছে।
পাশাপাশি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্টেশনে থাকা বিভিন্ন দোকানী ও ব্যাবসায়ীরা।
১২ দশমিক এক কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয় ১৮৮৫ সাল থেকে।
৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার ফলে সড়কপথে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ বেড়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩০ জুনের মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
৩০ জুনের পর থেকে ওই রুটে ভাঙ্গা পর্যন্ত যেন ট্রেন চলতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
ঢাকা থেকে গেন্ডারিয়ার মধ্যে দুটি নতুন ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ এবং বিদ্যমান মিটারগেজ রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হবে।
কিন্তু গেন্ডারিয়া থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি তুলনামূলক কম।
ইউটিলিটি শিফটিং এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সেকশনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রেন পরিচালনা সম্ভব নয় বলে কাজের অগ্রগতি কম।
তাই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সেকশনে ট্রেন বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেছে ঠিকাদার।
এর অংশ হিসেবে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করে দ্রুত কাজটি শেষ করতে চায় তাঁরা।
পদ্মা রেলসংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি সভায় কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সেখানেও বিষয়টি উঠে আসে। সব মিলিয়ে সাময়িকভাবে ট্রেন বন্ধ রাখার ব্যাপারে একমত হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.