ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এর ফলে, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে কয়েকগুণ বেড়েছে ছোট-বড় যানবাহনের চাপ।
এদিকে, টাঙ্গাইলের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও বাসের আসন পাচ্ছে না যাত্রীরা। এছাড়া, বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (২৬ জুন) বিকেলে পর্যন্ত মহাসড়কে যানজট চোখে পড়েনি।
তবে সেতুর উপরে পৃথক দুর্ঘটনায় দফায় দফায় টোল বন্ধ রাখায় ও মহাসড়কের একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে যানবাহন চলেছে।
দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত মহাসড়কের আশেকপুর, ঘারিন্দা, রাবনা ও এলেঙ্গা এলাকা ঘুরে দেখা যায়,
‘যানবাহনের চাপ বাড়লেও স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলছে। কেউ ঘরে ফিরছে, আবার কেউ পশু নিয়ে রাজধানীর হাটে যাচ্ছে।’
‘তবে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বাসে আসন না পেয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে।’
বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান,
‘শনিবার (২৪ জুন) রাত ১২টা থেকে রোববার (২৫ জুন) রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট যানবাহন পারাপার হয়েছে ২৯ হাজার ৮৫৭টি।’
‘যার বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৫ লাখ ৮৯ হাজার ৩০০ টাকা।’
‘এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোল প্লাজায় পারাপার হয়েছে ১৪ হাজার ৯৭৬টি যানবাহন,
আর টোল আদায় হয় ১ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার ১৫০ টাকা।
এছাড়া, পশ্চিম টোল প্লাজায় পারাপার হয় ১৪ হাজার ৮৮১টি।’
‘এতে টোল আদায় হয় ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪৮ হাজার ১৫০ টাকা।’
তিনি আরও জানান,
‘ঈদযাত্রায় যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যানজট এড়াতে সেতু পূর্ব ও পশ্চিমে মোট ১৮টি বুথে টোল আদায় করা হচ্ছে।’
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন,
‘যানজট ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ রাখতে মহাসড়কে সাত শতাধিক পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।’
‘আশা করি, সেতুর উপর ও মহাসড়কে গাড়ি বিকল, বড় কোনো দুর্ঘটনা না হলে গত ঈদের মতো এ ঈদেও যানজট হবে না।’
