নেশার টাকা না দেওয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের বঁটির কোপে ইসমাইল কাজী (৫৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার চরমানিকদাহ গ্রামের কাজীরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইসমাইল কাজী ওই গ্রামের তাইজেল কাজীর ছেলে। এ ঘটনায় ঘাতক আলীম কাজীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক ওবায়েদুর রহমান।
নিহতের পুত্রবধূ ময়না বেগম বলেন, আমার শ্বশুর জমিতে আখ চাষ করেন।
প্রতি হাটে আখ বিক্রি করে টাকা সঞ্চয় করেন। সেই টাকা নেওয়ার জন্য আমার শ্বশুরকে প্রতিদিন চাপ দিত দেবর আলীম কাজী (২৫)।
এ নিয়ে শ্বশুরের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো আলীম কাজীর। সে মাঝেমধ্যে আমার শ্বশুরকে মারধরও করত। সারাক্ষণই নেশায় আসক্ত থাকত আলীম।
আমার শ্বশুর তাকে এই পথ থেকে ফেরানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন।
কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। শনিবার সকালে আলীম কাজী ধারালো বঁটি দিয়ে পেছন থেকে শশুর ইসমাইল কাজীর ঘাড়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে বাড়ির লোকজন আমার শ্বশুরকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে পথিমধ্যে মারা যান তিনি।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক ওবায়েদুর রহমান জানান, মানিকহার হাটে আখ বিক্রি করতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইসমাইল কাজী।
এ সময় ছেলে আলীম ঘর থেকে বের হয়ে কাউকে কিছু না বলে বাবা ইসমাইলের গলায় বঁটি দিয়ে কোপ মেরে পালিয়ে যায়।
পরে ইসমাইল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে গুরুতর আহতাবস্থায় গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিবিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর্তমানে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাগা হয়েছে।
এ ঘটনায় ছেলে আলীম কাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.