টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনী জেলায় প্রায় এক সাপ্তাহ জুড়ে বন্যা চলমান। এতে প্রায় ১১ লাখ ৫০ মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছিল। তবে বন্যার পানি কমে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের উপর দাড়িয়ে মানুষ আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।
বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ফুটে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। এবারের বন্যায় জেলার ছয়টি উপজেলায় রোপা আমান, সবজি ক্ষেত, বিজতলা সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়েছে। মানুষের বাড়ি-ঘরে চালা পর্যন্ত পানি উঠায় তাদের ঘরে থাকা আসবাবপত্র, কাথা- বালিশ , গৃহস্থালিসহ সকল প্রকার মালামাল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।
কোথায় কোথায় পানি কমলেও এখন আর সে কর্দমাক্ত ভেজা ঘরে থাকা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এমনকি মানুষের গোলায় রাখা ধান চাল ডাল পানিতে ভেসে গেছে। রান্নাঘরের চুলা এমনকি লাড়কি কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।
জেলাব্যাপী মাছের ঘের এবং পুকুরের মাছ সম্পূর্ণ ভেসে গেছে। কোন কোন স্থানে কৃষকের গবাদি পশু কিছু কিছু রক্ষা করা গেলেও এখন গো খাদ্যের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।
উপজেলায় মুরগির খামার একটিও নেই।উপজেলায় গ্রামীণ সড়ক, শাখা পাকা রাস্তা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে।
সাত দিন বন্ধ থাকার পর ফেনী জেলা হেডকোয়ার্টার এর সাথে পরশুরাম ফুলগাজী উপজেলার যোগাযোগ কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
এদিকে ত্রান বিতরণে এসে নৌ বাহিনীর প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান স্থানীয়দের দাবির পেক্ষিতে বলেন, নদীর স্থায়ী বাঁধের জন্য আমরা সমন্বিতভাবে সবাই চেষ্টা করবো। এ বিষয়ে উধ্বতন মহলে আলোচনা করবো।
