সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবস ছিলো বেশ ঢিলেঢালা

ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে টানা ৫ দিনের ছুটি শেষে আজ সোমবার খুলেছে সরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক বিমাসহ সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান। স্বাভাবিক কারণেই আজ তাই প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে তেমন কর্মচাঞ্চল্য নেই। অনেকটা ঢিলেঢালা ভাব।

ঈদের আগে সর্বশেষ কর্মদিবস ছিল গত মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল।

৫ দিনের ছুটির পর আজ থেকে আগের নিয়মে অর্থাৎ সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে সরকারি অফিস-আদালত।

তবে নিয়মিত ছুটি শেষ হলেও এর সঙ্গে অনেকে অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছেন। ফলে এখনো সবাই ফেরেননি কর্মস্থলে।

সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়সহ

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা গেছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি খুবই কম।

বেশিরভাগ মন্ত্রণালয়ের কক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে আছে।

তবে দুপুর ১২টার দিকে সচিবালায় ৬ নম্বর ভবনের সামনে একই রকম পাঞ্জাবি পড়ে ছবি তুলতে দেখা গেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনেকেই ঈদের ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে বাড়তি ছুটি নিয়েছেন। তারা আরও পরে কাজে যোগ দেবেন।

তাছাড়া নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অনেকেই বঙ্গভবনে যান এদিন। এ কারণে সচিবালয় প্রাঙ্গণ বেশ ফাঁকা।

দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্র সচিবালয়ে আজ নেই দর্শনার্থীদের ভিড়ও। অথচ স্বাভাবিক সময়ে অত্যন্ত কর্মব্যস্ত থাকে স্থানটি।

বেশি দর্শনার্থী না থাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও কাটাচ্ছেন অলস সময়।

যারা এসেছেন তারা নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময় করছেন, কোলাকুলি করছেন।

অনেকেই ছুটি কাটিয়ে সরাসরি গ্রামের বাড়ি থেকে ব্যাগ নিয়েই সচিবালয়ে প্রবেশ করেছেন।

প্রসঙ্গত, ঈদের আগে গত বুধবার তথা ১৯ এপ্রিল ছিল শবে কদরের সরকারি ছুটি।

বৃহস্পতিবার ২০ এপ্রিল ছিল সরকারের নির্বাহী আদেশে ছুটি। এ বছর রোজা ২৯টি হওয়ায় ঈদ উদযাপিত হয়েছে শনিবার, ২২ এপ্রিল।

সেই হিসাবে ঈদের আগের দিন শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ঈদের দিন শনিবার, ২২ এপ্রিল এবং ঈদের পরের দিন রোববার ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল ঈদের ছুটি।

গত মঙ্গলবার ঈদ ছুটির আদেশ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আদালত এবং ব্যাংক-বিমাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের মতো করে ছুটির সময়সূচি ঘোষণাসহ আদেশ জারি করে।