ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দরের আধুনিকায়ন কাজ আবারও পেছাল।
দরপত্র জটিলতার কারণে থমকে গেছে অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরের নির্মাণকাজ। এতে হতাশ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
মেঘনার তীরবর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা। এ এলাকায় অভ্যন্তরীণ নৌবন্দর নির্মাণের প্রস্তাবনায় কেটে গেছে এক দশক।
জরাজীর্ণ একটি মাত্র জেটিতে চলছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক কার্গো জাহাজ থেকে পণ্য খালাস।
এ অবস্থায় ভারতীয় কার্গো জাহাজ নৌবন্দরটিতে নোঙর করলে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভোগান্তিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সমস্যা লাঘবে বন্দরের অস্থায়ী জেটির দক্ষিণ পাশেই চর চারতলা এলাকায় আধুনিক মানের কন্টেইনার নৌবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
তবে দরপত্র জটিলতার কারণে থমকে গেছে অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরের নির্মাণকাজ। এতে হতাশ নৌবন্দরের ব্যবসায়ীরা।
তারা বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরগুলোতে এখান থেকে মালামাল যায়। পণ্য খালাসের কাজে জেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া বন্দরটির নির্মাণকাজ শেষ হলে ভারত বাংলাদেশের নৌবাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
আর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) জানায়,
একটি মাত্র দরপত্র ও খরচ বেশি দেখানোর কারণে প্রথম দফায় আহ্বান করা দরপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।
ভৈরব-আশুগঞ্জ নৌবন্দরের উপপরিচালক মো. রেজাউল করিম বলেন, দরপত্র পুনরায় তৈরি করে ভারতে পাঠানো হয়েছে।
তাদের কাছ থেকে সম্মতি পেলে পুনরায় কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৫ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফের দরপত্রের বিষয়ে সম্মতি চাওয়া হয়েছে বলে জানায় জেলা প্রশাসন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম বলেন,
ঋণদাতা ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের সম্মতি পাওয়ার পর নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে।
উল্লেখ্য, ভারতীয় ঋণে ৩২ একর জমির ওপর অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি।
আরও পড়ুন:
- ৫ বছরের মেয়েসহ মালগাড়ির নিচে ঝাঁপ দিলেন মা
- ট্রেনের অগ্রিম টিকিট ক্রয়ের দ্বিতীয় দিনেই ভোগান্তি
- বিশ্বসেরা মুয়াজ্জিন হলেন সৌদির মোহাম্মদ আল শরিফ

Comments are closed.