প্রতিযোগিতামূলক বাজারব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় এখনও চাঙা হয়নি পঞ্চগড়ে সমতল ভূমির চা শিল্প।
সেখানে দীর্ঘদিন ধরে নিলাম কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানালেও কোনো অগ্রগতির দেখা মিলেনি।
শুধু পঞ্চগড়ে ই সমতল ভূমিতে চা চাষ হয়। গত দুই যুগে সেখানে ব্যাপকভাবে চা চাষ বিস্তৃত হয়েছে।
জেলায় সাড়ে ১০ হাজার চাষি ১২ হাজার ৮৯ একর জমিতে আবাদ করছেন চা।
৩০টি বড় চা বাগান এবং প্রায় সাড়ে ১০ হাজার মাঝারি ও ছোট বাগানের সবুজ পাতা সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক।
এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা ২৫টি কারখানায় আড়াই হাজার শ্রমিক পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজের সঙ্গে জড়িত।
তবে ব্যবসায়ীরা জানান, জেলায় কোনো নিলাম কেন্দ্র না থাকায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রের বিডারদের মাধ্যমে চা নিলামে তুলতে হয়।
এতে লাভের বেশকিছু অংশ সেখানে ব্যয় হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত আর্থিক সুফল মিলছে না।
এক চা ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা যে আশায় চা উৎপাদন করছি, সেটি পূরণ হচ্ছে না।
কাজেই নিলাম পঞ্চগড়ে হওয়া উচিত, তাতে চাষিরা সিন্ডিকেটের মধ্যে পড়বে না।
আমরা যদি নিলামে ভালো দাম পাই, তা হলেই আমরা লাভবান হতে পারব।’
অবশ্য চলতি বছরের মধ্যেই জেলায় নিলাম কেন্দ্র স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন পঞ্চগড় বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন।
তিনি বলেন, ‘ওয়ারহাউজ লাইসেন্স দেয়ার কার্যক্রম চলছে। তা ছাড়া খুব শিগগিরই বাংলাদেশের তৃতীয় চা নিলামকেন্দ্র পঞ্চগড়ে স্থাপন করা হবে।’
উল্লেখ্য, চলতি বছর প্রায় দুই কোটি কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ চা বোর্ড।
আরও পড়ুন:

Comments are closed.