হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে ছোলাসহ ডালজাতীয় পণ্যের আমদানি। এতে কমেছে পণ্যের দাম। স্বস্তি ফিরেছে বাজারে।
এদিকে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও অবৈধ মজুত ঠেকাতে বাজার মনিটরিং করার কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
বছরের অন্য সময়ের চেয়ে রমজানে দেশে চাহিদা বাড়ে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের।
এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে রমজানের শুরুতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বৃদ্ধি করে বুকিং রেট।
এতে আমদানি কমিয়ে দেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।
এবারও রমজানের শুরুতেই ছোলা, ডাল ও মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয় ভারত।
এর প্রভাবে অস্থিরতা তৈরি হয় স্থানীয় বাজারে। তবে সেই রেশ কাটিয়ে ভারত থেকে বেড়েছে পণ্যের আমদানি।
ফলে দেশের বাজারে কমেছে পণ্যের দাম।
সরেজমিন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ছোলা কেজিতে ৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৭৬ টাকায়।
আর ভুসি ৫২ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ৪৭ টাকায়।
একইভাবে ডালজাতীয় অন্যান্য পণ্যসহ গোখাদ্যের দামও নিম্নমুখী।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ বলেন,
ভারতে পণ্যের দাম কমতে শুরু করায় বাংলাদেশেও কমছে দাম।
৮০ টাকার ছোলা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৭৬ টাকায়।
আর ৭০ টাকার খেসারি ডাল বিক্রি হচ্ছে ৬৪ থেকে ৬৬ টাকা।
এদিকে বন্দরে দ্রুত পণ্য খালাসে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা সুকান্ত দাস বলেন, আমদানিকারকরা যাতে তিন দিনের বেশি বন্দরে পণ্য জমিয়ে রাখতে না পারে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখা হচ্ছে।
আর অবৈধ মজুত ঠেকাতে বাজার মনিটরিং করার কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-এ-আলম বলেন,
অবৈধ মজুত করে কোনো ব্যবসায়ী পণ্যের সংকট তৈরি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এরই মধ্যে একাধিকবার ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মার্চে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১ লাখ ২২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ভারতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে।
এর মধ্যে ছোলা, খেসারি, ডাল ও আদা আমদানি হয়েছে ৩ হাজার মেট্রিক টন।
আরও পড়ুন:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা মামলায় মতিউর রহমানের ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চায় বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চ
- প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ২.০৩ বিলিয়ন ডলার
