বিশ্ববাজারে চিনির দাম বেশি থাকায় আমদানি খরচও বেড়ে যাওয়ায় ঈদের পর চিনির দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
দেশের ৯৯ ভাগ চিনিই আমদানি নির্ভর উল্লেখ করে টিপু মুনশি বলেন, ট্যারিফ কমিশনের হিসেব বলছে, বিশ্ববাজারে চিনির দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ বেশি হচ্ছে।
ঈদের আগে দাম বাড়ানো বা কমানো নিয়ে আর বসার সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন,
তবে যেহেতু চিনি আমদানিতে কিছুটা খরচ বাড়ছে, সেহেতু ঈদের পর চিনির দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তখন দাম সমন্বয় করা হবে।
চিনির দামের ওপর ভ্যাট কমানোর চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।
তেলের দাম নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। ফলে আমরাও তেলের দাম কমিয়েছি।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা চিনির সরকার নির্ধারিত দাম ১২০ টাকা এবং
প্যাকেটজাত চিনি ১২৫ টাকা হলেও ব্যবসায়ীরা তা মানছেন না। বাজারে প্রতিকেজি চিনি ১৩০ টাকা থেকে ১৪০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে।
তবে চিনির দাম ২২ জুন থেকে কেজিতে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বাড়ানোর বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে মিল মালিকরা।
তারা প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৪০ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনি ১৫০ টাকা করতে চান।
আয়ুর্বেদ নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা প্রয়োজন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি।
তাছাড়া এটি নিয়ে গবেষণা করারও প্রয়োজন রয়েছে।’
আয়ুর্বেদ ব্যবহারে আমাদের এন্টিবায়োটিক নির্ভরতা কমবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রায় একটি পরিবর্তন আসার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,
দেশের মানুষ যখন আয়ুর্বেদ খেতে শুরু করবে তখন দেশের বাইরেও এ ধরনের ওষুধ বা কাঁচামাল রফতানি করা যাবে।
তবে সবার আগে গবেষণা করে তা প্রচার করে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। মানুষের কাছে এসবের উপকারিতা পৌঁছাতে হবে৷
তিনি আরও বলেন, ‘বহুকাল আগে থেকেই আমাদের প্রতিটি গ্রামের উঠানেই তুলসিগাছ লাগানো থাকতো।
এর উপকারিতা আছে বলেই মানুষ সেটি ব্যবহার করত। আমরা যতবেশি ইউনানী ওষুধ ব্যবহার করব, ততই এন্টিবায়োটিক নির্ভরতা কমবে৷।
দেশের সম্ভাবনাময় এ খাতকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।
