বিনিয়োগের খড়া যেন কাটছেই না

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের খড়া যেন কাটছেই না। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ টানতে পারলেও বাংলাদেশ তা পারছে না।

এ খড়ার প্রধান তিনটি কারণ বা বাধা চিহ্নিত করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

সংস্থাটি মনে করে বিদেশি বিনিয়োগের প্রধান বাধাগুলো হলো উচ্চ শুল্ক ও অশুল্ক বাধা, অবকাঠামোসহ উপযুক্ত পরিবেশ না থাকা ও আস্থার সংকট।

চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের ফলে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

একই সঙ্গে এ সংকটকে সুযোগের আদলে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যবসা বিনিয়োগ চাঙা করছে পৃথিবীর অনেক দেশ।

বাংলাদেশের অর্থনীতিও স্মরণকালের সংকটকাল অতিক্রম করছে।

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

যার প্রথম কিস্তি ইতোমধ্যে ছাড়ও করেছে সংস্থাটি। কিস্তি ছাড়ের পর দেশের অর্থনীতি ও এই ঋণ প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে আইএমএফ।

ওই প্রতিবেদনের ১৭ পৃষ্ঠায় বাংলাদেশের অর্থনীতির কয়েকটি ঝুঁকি ও সমস্যার কথা উঠে এসেছে।

এ ছাড়া দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান বাধাও চিহ্নিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব বাধা রয়েছে তার মধ্যে তিনটি হলো- উচ্চ শুল্ক-অশুল্ক বাধা, অবকাঠামোসহ উপযুক্ত পরিবেশ না থাকা ও আস্থার সংকট।

ফলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ কৃষি উৎপাদন বাড়লেও শিল্প উৎপাদনে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।

এমনকি বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে খুবই হতাশাজনক অবস্থা বিরাজ করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয় : যে কোনো দেশের বিনিয়োগ বাড়াতে একটি সুষ্ঠু ও উপযুক্ত পরিবেশ এর পূর্বশর্ত; যা বৈদেশিক বাণিজ্যকে প্রসারিত করে।

একই সঙ্গে এফডিআই আকর্ষণ করতে সাহায্য করে। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ পরিবেশ উপযুক্ত নয়।

এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও এফডিআইয়ের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ পদক্ষেপই তুলনামূলক কম উপযুক্ত।

একইভাবে এখানে উচ্চশল্ক ও অশুল্ক বাধা রয়েছে। যেগুলো হ্রাস করা খুবই জরুরি।

আরও পড়ুন:

এনএএন টিভি