২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তারে জমিন পর’-এর সিকুয়েল হলেও এবার পরিচালনায় ছিলেন না তিনি। কারণ হিসেবে বলেন, “আমি মূলত অভিনেতা। পরিচালনায় গেলে অভিনয় থেকে সরে যেতে হতো, যেটা আমি চাই না।”
আমির জানান, ‘সিতারে জমিন পর’ ছবিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১০ জন শিল্পীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের সরলতা ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ পুরো টিমকে অনুপ্রাণিত করেছে। “ওদের মধ্যে অহংকার নেই, নেই নিজেকে বড় করে দেখানোর প্রবণতা। বরং আমাদেরই শিখিয়েছে কীভাবে সহনশীল হতে হয়,” বলেন আমির।
‘লাল সিং চাড্ডা’র ব্যাপক ব্যর্থতা নিয়ে আমির বলেন, “১৮ বছর পর এত বড় একটা ফ্লপ—আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। মানসিক অবসাদে ছিলাম। পরিবার আমায় ধরে রেখেছে তখন। আম্মি, কিরণ, জুনাইদ, আইরা—ওদের ভালোবাসা আমাকে বাঁচিয়েছে। মজার বিষয়, ছবিটা হিট হলে হয়তো এতটা ভালোবাসা পেতাম না!”
‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন তিনি। মুক্তির আগে ছবির সম্ভাব্য ব্যর্থতা আঁচ করেছিলেন আমির। প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে সাবধান করেছিলেন, তবে সেটি আমলে নেওয়া হয়নি। মুক্তির আগে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েছিলেন কারণ ফলাফল জানতেন।
আরও বলেন, শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের নিয়ে কম ছবি হয় বলিউডে। “অনেক নির্মাতা মনে করেন বাজার নেই, কিন্তু ‘তারে জমিন পর’, ‘চিল্লার পার্টি’, ‘স্ট্যানলি কা ডাব্বা’র মতো কাজ মানুষ মনে রেখেছে,” জানান তিনি।
৮ ঘণ্টার কর্মঘণ্টা নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে আমির বলেন, “৮ ঘণ্টা কাজ, ৮ ঘণ্টা ঘুম, ৮ ঘণ্টা নিজের জন্য—এটাই আদর্শ হওয়া উচিত। যদিও আমি একসময় দিনে ১৬-১৮ ঘণ্টা কাজ করেছি। তবে অভিনয় আমার কাছে কাজ নয়, এটা আবেগের জায়গা।”
ব্যক্তিজীবন নিয়েও মুখ খোলেন আমির। গৌরীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বলেন, “আমি গৌরীকে লুকাতে চাইনি। আমি চরম, গৌরী শান্ত। এ কারণেই আমরা পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট। ও আমার জীবনে শান্তি এনেছে, আমি ওর জীবনে রোমাঞ্চ

One Reply to “আমির এর ১৮ বছর পর এত বড় ফ্লপ”
Comments are closed.