আগামীকাল ২২শে শ্রাবন। মহাকালের চেনাপথ ধরে প্রতিবছর এই বাইশে শ্রাবণ দিনটি বিশ্বব্যাপী রবী ভক্তদের কাছে শূন্য একটি দিন, কারণ এই দিনেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রয়াণ হয়েছিলেন। আর আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম প্রয়াণ দিবস।
তবে এবারের বাইশে শ্রাবণ কি বাঙালির রোমান্টিক ট্র্যাজেডি হয়ে উঠছে? গবেষক আর রবীন্দ্রপ্রেমীরা বলছেন, এর শুরুটা রবীন্দ্রনাথের হাতেই।
মৃত্যুভয়কে সাহিত্যে উপজীব্য করতে প্রকৃতিকে রূপক করেছেন তিনি। জীবনের শেষবেলায় রচিত করেছেন একের পর এক পদাবলি।
৮২তম প্রয়াণ দিবসে সেই বিশেষ পদাবলিতেই স্মরণ করা হচ্ছে বাংলার কবি বাঙালির রবীকে।
শুনি বনে বনান্তরে অসীম গানের রেশ…
মধুর, তোমার শেষ যে না পাই, প্রহর হল শেষ…
অবলীলায় এমন বিদায়ের কথা বলতে পেরেছিলেন যিনি, তিনি বাংলা সাহিত্যের দিকপাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
জমিদারীর কাজে এসে কুষ্টিয়ার শিলাইদহের প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। অনবদ্য সৃষ্টির রসদ পেয়েছিলেন সেখানকার প্রাণ-প্রকৃতি থেকে।
আঙ্গিনায় বসে রচনা করেছিলেন কালজয়ী কবিতা আর গল্প। গবেষকদের মতে,
রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্ম সমৃদ্ধ হয়েছে শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে। যাতে বড় প্রভাব ছিলো বাউলিয়ানার।
রবীন্দ্রপ্রেমীদের কাছে তার বানী চিরায়ত ও সর্বমুখী। যে মৃত্যু ভাবনাকে শেষ জীবনে উপজীব্য করেছিলেন কবি তা দিয়েই সাজানো হয়েছে এবারের স্মরণ নৈবেদ্যের ডালা।
আরও পড়ুন:

Comments are closed.