মায়া নিয়ে চলতি মাসেই হাজির হচ্ছে মিথিলা

চলতি মাসেই কলকাতায় মুক্তি পাবে রাফিয়াত রশীদ মিথিলার মায়া ।

ঢাকা, কলকাতা মিলিয়ে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তাঁর আরও চারটি সিনেমা।

এ ছাড়া ঈদে তাঁকে চরকির সিরিজ ‘মাইসেলফ অ্যালেন স্বপন’-এও দেখা যাবে।

মায়া

উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের ‘ম্যাকবেথ’-এর ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ‘মায়া’।

ছবিটিতে মাহিরা থেকে মায়ারূপে হাজির হয়েছেন মিথিলা। কীভাবে?

নিজেই সে গল্প শোনালেন মিথিলা, “মাহিরা মুসলিম মেয়ে। জীবনের চলার পথে নানা ধরনের বাধার মুখে পড়ে। একটা সময় মায়া হয়ে ঘুরে দাঁড়ায়।

গল্পে তিনটি আলাদা সময়, আলাদা রূপে মিথিলাকে দেখা যাবে। তা ছাড়া চরিত্রটির সংলাপে হিন্দির আধিক্য আছে। কাজটি তাঁর জন্য অতটা সহজ ছিল না।

চরিত্রটির প্রস্তুতি নিয়ে মিথিলা বলেন, ‘পরিচালক তাঁর ভাবনাগুলো আমাকে বলেছেন,

প্রস্তুতি আমি নিজে নিজে নিয়েছি। প্রায় দুই মাস প্রস্তুতি নিয়েছি। চরিত্রটি কীভাবে তাকাবে, কীভাবে কথা বলবে, হাঁটাচলা সবই অনুশীলন করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একাধিক রূপ, বয়স ও অন্য ভাষা—এভাবে আমাকে আগে দর্শক কখনো দেখেননি। বলতে পারেন, সিনেমায় এটি আমার নতুন জন্ম।’

অভিনেত্রী জানান, তিনটি চেহারার মধ্যে একটিতে তিনি ২০ থেকে ২২ বছরের মেয়ে, আরেকটিতে ৪০ বছরের, অন্যটিতে ৫৫ বছরের এক নারী।

তিনটি বয়সের আলাদা চেহারা, কথা বলার ভঙ্গিও আলাদা। ছবিতে প্রায় ৭০ ভাগ সংলাপই হিন্দিতে দিতে হয়েছে। পরপর তিনটি চরিত্রে কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হয়নি?

উপরোক্ত প্রশ্নের উত্তরে মিথিলা বলেন, ‘এটা তো মায়ার জার্নি। এ কারণে কিছুটা সুবিধা ছিল।

ভাষা নিয়েও তেমন সমস্যা হয়নি। হিন্দিটা আমি আগে থেকেই মোটামুটি পারি।’

প্রসঙ্গত, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকে চাকরির সুবাদে মিথিলাকে কখনো উগান্ডা, কখনো তানজানিয়া, সুদান—ছুটতে হয় নানা দেশ।

মায়া

কলকাতার পরিচালক সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের পর মিথিলার জীবনযাপনেও পরিবর্তন এসেছে।

মেয়ে আইরাও কলকাতার একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছে। তাই কাজের বাইরে বেশির ভাগ সময়ই এখন কলকাতায় থাকেন তিনি।

কলকাতা ও ঢাকা দুই জায়গার কাজ নিয়েই এখন ব্যস্ত মিথিলা। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে কলকাতার সিনেমা ‘নীতিশাস্ত্র ও মেঘলা’র শুটিং।

ঢাকায় করেছেন ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’ ও ‘কাজলরেখা’। ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায় আছে।