গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস থেকে বাদ পড়লো দীর্ঘ চুমুর প্রতিযোগিতাটি। নানা ধরণের প্রতিকূলতার সৃষ্টি হয় বলেই এই প্রতিযোগিতাটি বাদ দেয়া হলো হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, সর্বশেষ টানা ৫৮ ঘণ্টা চুমু খেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন এক দম্পতি। নতুন ঘোষণার ফলে তাদের এই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ পাবে না আর কেউ।
এ বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে,
দীর্ঘ চুমুর যে প্রতিযোগিতা এতদিন চলছিল তার নিয়ম ছিল বেশ কড়া।
প্রতিযোগিরা এক মূহুর্তের জন্যও যদি একে অন্যের ঠোঁট থেকে সরে আসতেন তাহলেই বাদ পড়ে যেতেন।
এমনকি চুমু খাওয়ার সময় বসা বা শোয়ার সুযোগও ছিল না তাদের।
খাবার সুযোগ ছিল তবে তা পাইপ ব্যবহার করে। সেক্ষেত্রে দুজনের ঠোঁট আলাদা হওয়ার সুযোগ ছিল না। আর সবচেয়ে কঠিন ছিল শৌচালয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে।
চুম্বনরত অবস্থায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া বেশ কঠিন। সেই সঙ্গে প্রতিযোগিতার সময় যুগলদের ঘিরে থাকতেন আয়োজকরা। বিষয়টি অস্বস্তিকরও বটে।
তবু অনেকে ঝোঁকের বশে এই প্রতিযোগিতায় নাম লেখাতেন। আর এর ফল হত মারাত্মক।
কয়েক ঘণ্টা ওইভাবে কাটানোর পর কেউ কেউ জ্ঞান হারাতেন। প্রতিযোগিতা শেষে কাউকে পাঠাতে হতো হাসপাতালে।
প্রায় সব ক্ষেত্রেই এমন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছেন গিনেস বুকের কর্মকর্তারা। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে প্রতিযোগিতাটি বাদ দিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, এই প্রতিযোগিতাটি বাদ পড়লেও অন্য এক চুমুর প্রতিযোগিতার কথা ঘোষণা করেছে তারা। নতুন প্রতিযোগিতার নিয়মকানুন কিছুটা হলেও শিথিল।
প্রতিযোগিতার মাঝে রয়েছে বিশ্রামের সুযোগ, তাই অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কাও কিছুটা কম।

Comments are closed.