ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরও এক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ

ট্রাম্প তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন বলে দাবি ওই মডেলের।
ট্রাম্পের গ্রেপ্তারের পর নতুন করে তার যৌন কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসায় যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে শোরগোল পড়েছে।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত অভিযোগ তোলা এই মডেলের নাম কারেন ম্যাকডুগাল। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা প্রদেশের বাসিন্দা তিনি।
গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে প্রাপ্তবয়স্কদের পত্রিকা হিসেবে পরিচিত প্লেবয় ম্যাগাজিনে মডেল হিসেবে কাজ করতেন তিনি। এছাড়াও অভিনেত্রী হিসেবে বেশ নামডাক রয়েছে তার।
৫২ বছর বয়সী ম্যাকডুগালের দাবি, ২০০৬ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই এক বছরের মধ্যে বহুবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন তারা। যদিও স্টর্মি ড্যানিয়েলের মতোই কারেনের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট।
২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ট্রাম্প। ওই সময় কারেনের অভিযোগ সামনে এলে তার ভাবমূর্তিতে আঘাত লাগার সম্ভাবনা ছিল।
এই অবস্থায় মুখ বন্ধ রাখতে ওই মডেলকে দেড় লাখ মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে আমেরিকান মিডিয়া ইনকর্পোরেট (এএমআই)।
সংস্থার কর্মকর্তাদের দাবি, ২০১৮ সালে ম্যানহাটান ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে এই লেনদেন হয়।
মঙ্গলবার আদালতে ট্রাম্প আত্মসমর্পণ করলে এ বিষয়টিও তোলেন সরকারি আইনজীবী। এজলাসে তিনি বলেন,এএমআইয়ের সাবেক প্রধান নির্বাহী ডেভিড পেকারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই সাবেক প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
সে কারণেই প্লেবয় পত্রিকার মডেলকে টাকা দিতে রাজি হন তিনি। ওই টাকা ট্রাম্পের পরে মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ট্রাম্প টাকা না দেওয়ায় পেকারকেই অর্থ মেটাতে হয়েছিল। ২০২১ সালে এই মামলায় রায় দেয় যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশন।
সেখানে বলা হয়, প্লেবয় মডেল কারেন ম্যাকডুগালকে এএমআইয়ের পক্ষ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা দেওয়ায় নির্বাচনে সুবিধা পেয়েছিলেন ট্রাম্প।
এর জেরে সাবেক প্রেসিডেন্টের সংস্থার এক লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার জরিমানাও করে কমিশন।