রান–ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সর্বাত্মক সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যকে চরম অস্থিরতার মুখে ফেলেছে। সম্প্রতি তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব হিসাবে এবার নজিরবিহীন পাল্টা আঘাত হানলো ইরান। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইসরায়েল অভিমুখে অন্তত ৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
এই হামলার পরপরই ইসরায়েলজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। জেরুজালেম, হাইফা ও শেফেলাসহ প্রধান শহরগুলোতে সাইরেন বাজিয়ে সাধারণ মানুষকে বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আইডিএফ। ইসরায়েলি বিমান বাহিনী এখন আকাশপথের হুমকি মোকাবিলা করার পাশাপাশি হামলার উৎসস্থলে পাল্টা আঘাত হানার জন্য কাজ করছে।
তবে ইরান একাই নয় ইসরায়েলের ওপর এই আক্রমণ শুরু হয়েছে তিনটি ভিন্ন ফ্রন্ট থেকে। একদিকে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে আসছে, অন্যদিকে লেবানন থেকে হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেন থেকে হুথি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। হুথিরা লোহিত সাগরে এবং সরাসরি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করেছে।
এদিকে লেবাননের ভূখণ্ড থেকেও হিজবুল্লাহর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এই সংঘাতের জেরে দেশটিকে যুদ্ধের ভয়াবহতায় টেনে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
