পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ এক বৈঠকে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও আসিম মুনির। এই বৈঠকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভিও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের পর আরাঘচি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিবেশীরাই আমাদের অগ্রাধিকার এবং আমরা আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করছি, যাতে একটা বাস্তবসম্মত সমাধানে পৌঁছানো যায়।’
এদিকে, শনিবার (২৫ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার সরাসরি শান্তি আলোচনা।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার শনিবার সকালে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তারা মূলত সরাসরি ইরানি প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনায় বসবেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে ২য় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি পাকিস্তানকে পুরোটা সময়জুড়ে মধ্যস্থতাকারী পক্ষ হিসেবে অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য ‘ইনক্রেডিবল ফ্রেন্ডস’ সম্বোধন করে ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বৈঠকে জে. ডি. ভ্যান্সের অংশগ্রহণ না করার প্রসঙ্গে লেভিট বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে থেকেই পুরো আলোচনা প্রক্রিয়া বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং যুক্ত থাকবেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি টিমও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তবে, বক্তব্যের শেষে তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে সবাই পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন।
