যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করার পরিকল্পনা ইরানের নেই বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২১ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাইকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
তিনি জানান, ইউরোপীয় ত্রয়ীর (ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি) সঙ্গে নতুন এক দফা আলোচনার ব্যবস্থা করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা ইরানের নেই।
তবে বাকাই বলেন, ‘ইরান কূটনীতিকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখে। যখনই জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তা সহায়ক মনে হবে, ইরান সেই সুযোগ কাজে লাগাবে।’
বাকাই জানান, ইউরোপীয় ত্রয়ীর সঙ্গে ইরানের পরবর্তী দফার আলোচনা আগামী শুক্রবার (২৫ জুলাই) তুরস্কের ইস্তানবুলে অনুষ্ঠিত হবে। উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এই আলোচনা মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কেন্দ্রীভূত হবে।
আলোচনায় ইরানের পক্ষে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মজিদ তাখত রাভানচি এবং কাজেম ঘরিবাবাদি অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘এখনো সেখানে (ইরানে) প্রযুক্তি রয়েছে। আমাদের পারমাণবিক কর্মসূচি, সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বাইরে থেকে আমদানি করা কিছু নয় যে বোমা ফেলে ধ্বংস করা যাবে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এমন একসময় এল, যখন আগামী শুক্রবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে জার্মানি, ফ্রান্স আর যুক্তরাজ্যের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে তেহরান।
আঞ্চলিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হবে কি না, এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি জবাব, ‘আমরা আলোচনার পথ উন্মুক্ত রেখেছি; কিন্তু এখনই সরাসরি আলোচনা নয়।’
এদিকে আরাগচির মন্তব্যের জবাবে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, ‘আমি যেমনটা বলেছি, প্রয়োজন হলে আমরা আবারও (হামলা) করব।’

One Reply to “ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো আলোচনা হচ্ছে না: তেহরান”
Comments are closed.