হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। মিনায় জামারাতে শয়তানের উদ্দেশ্যে পাথর নিক্ষেপের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার হাজিরা মক্কায় ফিরেছেন।
আগামী রবিবার (০২ জুলাই) রাত থেকে হাজিদের নিয়ে ফিরতি ফ্লাইট ছাড়তে শুরু করবে।
সোমবার (০৩ জুলাই) ভোর ৬টা ৫ মিনিটে হাজিদের নিয়ে ঢাকায় অবতরণ করবে প্রথম ফিরতি ফ্লাইটটি।
এদিকে, সৌদিতে জমজমের পানি না কেনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে হাজিদের বহনকারী তিনটি এয়ারলাইন্স।
ঢাকায় হযরত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রত্যেক হাজি ৫ লিটারের জমজমের পানির একটি বক্স পাবেন।
ঢাকা ছাড়া চট্টগ্রাম অথবা সিলেট বিমানবন্দরে একইভাবে জমজমের পানি পাবেন হাজিরা।
এর আগে, প্রতিবছর হাজিদের জন্য বোতলজাত জমজমের পানি ফ্লাইটে দিয়ে দেওয়া হতো। এবার সেই পানি আগেই থেকে বহন করে বিমানবন্দরে নিয়ে এসেছে এয়ারলাইন্সগুলো।
এজন্য হজযাত্রীদের লাগেজে জমজমের পানি না আনার পরামর্শ দিয়েছে এয়ারলাইন্সগুলো।
তারা জানিয়েছে, হজযাত্রীদের সৌদি পৌঁছানোর সময় ফিরতি ফ্লাইট খালি থাকায় বিমানে জমজমের পানি নিয়ে আসা হয়েছে।
বর্তমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাজিদের জন্য জমজমের পানি মজুত রয়েছে। হাজিরা বাংলাদেশে আসলেই তাদের প্রত্যেকে পাঁচ লিটারের জমজমের পানির একটি বক্স দেওয়া হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৮৮৪ জন হজ করতে সৌদি আরবে গেছেন।
এসব হজযাত্রীদের বহন করতে মোট ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে ৩২৫টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৫৯টি ফ্লাইটে ৬১ হাজার ১৮০ জন,
সৌদি এয়ারলাইন্স ১১৩টি ফ্লাইটে ৪১ হাজার ৪৬৮ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৫৩টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ২৩৬ জন হজযাত্রী বহন করেছে।
আরও পড়ুন:
