আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে হওয়া ‘বিতর্কিত’ তিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের তথ্য চেয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ((ডিসি) চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এসব নির্বাচনের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য ইসির কাছে চেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গত ২২ জুন শেরে বাংলা থানায় মামলার পর পিবিআই সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তথ্য চাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন তথ্য সংগ্রহের এ উদ্যোগ নিল।
রোববার (২০ জুলাই) ইসির নির্বাচন সহায়তা শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা চিঠি ইতিমধ্যে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের পাঠানো হয়েছে।
ইসির নির্বাচন সহায়তা শাখার উপ-সচিব মনির হোসেনের রোববার (২০ জুলাই) সই করা চিঠি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ২২ জুন শেরে-বাংলা থানায় মামলার পর পিবিআই সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তথ্য চাইলে ইসি এ তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিল।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানার, মামলা নং-১১, জি আর নং-১৫৬/২০২৫খ্রি,ধারা ১২০বি/১০৯/১৭১বি/১৭১ডি/১৭১জি/১৭১এইচ/১৭১আই/১২৪৩/৪০৬/৪২০ পেনাল কোড এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ঢাকা মেট্রো (উত্তর); ঢাকা ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের নাম, ঠিকানা, বাবার নাম, মায়ের নাম, স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বর ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক সরবরাহের জন্য অনুরোধ করা হয়। এসব তথ্য জরুরি ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো প্রয়োজন।
সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে ডিসি, ইউএনও থাকেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে। নির্বাচন কর্মকর্তারা থাকেন সহকারী হিসেবে। এছাড়া তিন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য চেয়েছে পিবিআই।

One Reply to “বিতর্কিত’ তিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের তথ্য চেয়ে ডিসিদের চিঠি”
Comments are closed.