আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের কাছে প্রস্তাবিত সংশোধনের বিস্তারিত তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন দীর্ঘ এক মাস ধরে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করে।
এই প্রস্তাবনাগুলো সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন ও আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের পর রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে কার্যকর হবে।
বর্তমান আইনে নির্ধারিত সর্বোচ্চ ব্যয় ২৫ লাখ টাকা। নতুন প্রস্তাবে এটি বাদ দিয়ে আসনভিত্তিক ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে—প্রতি ভোটারের জন্য ১০ টাকা।
নতুনভাবে যুক্ত করা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যে কোনো ফৌজদারি মামলায় যদি কেউ ফেরারি থাকেন, তবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। আগে কেবল দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত হলে প্রার্থী অযোগ্য হতেন।
কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকলেও বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এই বিধান যুক্ত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে অপব্যবহার হলে তা আবার পর্যালোচনার সুযোগ থাকবে।”
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ থাকলেও, এবার অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়নি।
