অবসরের ঘোষণাটা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন আন্দ্রে রাসেল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুটি টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত ছিল তার।
আজ বুধবার সেই বিদায়ঘণ্টা বেজে গেল। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেও জয় দিয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানতে পারলেন না এই ক্যারিবীয় তারকা।
কিংস্টনে অনুষ্ঠিত পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে তোলে ১৭২ রান। জবাবে মাত্র ১৬.৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা। রাসেল খেলেন ১৫ বলে ৩৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তবে দল তার বিদায়টা রাঙাতে পারেনি।
টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। শুরুটা ছিল ভালোই। ওপেনার ব্রেন্ডন কিং ও শাই হোপ গড়েন ৪৮ বলে ৬৩ রানের জুটি। কিং ৩৬ বলে করেন ৫১ রান। এরপরই ধীরে ধীরে ছন্দপতন শুরু হয়। হোপ ১৩ বলে ৯ রান করে ফিরলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এমন মুহূর্তে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন রাসেল। ২৪০ স্ট্রাইকরেটে ১৫ বলে করেন ৩৬ রান। মারেন দুটি চার ও চারটি ছক্কা। মোটি ৯ বলে করেন ১৮ রান। সব মিলিয়ে ক্যারিবীয়রা গড়ে ৮ উইকেটে ১৭২ রানের সংগ্রহ।
৬৩ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৩ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন হোপ। নিজের আন্তর্জাতিক শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেলতে নেমে ঝড় তুলেছেন রাসেল। করেন ১৫ বলে ৩৬ রান। ২৪০ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসে তিনি হাঁকান দুইটি চার ও চারটি ছক্কা। মোটি খেলেন ৯ বলে ১৮ রানের ইনিংস। ৮ উইকেটে ১৭২ রানের পুঁজি গড়ে ক্যারিবীয়রা।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে উদ্বোধনীতে নেমে আবারও ব্যর্থ হলেন ম্যাক্সওয়েল। ১০ বলে ১২ রান করে সাজঘরে ফেরেন। অধিনায়ক মিচেল মার্শও সতীর্থের দেখানো পথে হাঁটলেন। ১৭ বলে ২১ রান করেন মার্শ। দলীয় ফিফটির আগেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া।
এরপর দলের হাল ধরেন জস ইংলিস ও ক্যামেরন গ্রিন। গ্রিন ধীরে খেললেও ঝড়ো গতিতে খেলতে থাকেন ইংলিস। মাত্র ২২ বলে হাফ-সেঞ্চুরি হাঁকান ইংলিস। অস্ট্রেলিয়ার জন্যও ম্যাচটা সহজ হয়ে যায় একটা সময়। তৃতীয় উইকেটে ১৩১ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ইংলিস ও গ্রিন জুটি। ইংলিস ৩৩ বলে ৭৮ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন। গ্রিন করেন ৩২ বলে ৫৬ রান।

One Reply to “বিদায়ী ম্যাচে রাসেলের ব্যাটে ঝড়,”
Comments are closed.