মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের লতব্দী গ্রামে। লতব্দী গ্রামের মৃত শেখ আনোয়ার হোসেনে ছেলে শেখ মনির হোসেন মিলন বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায় উচ্চ আদালতের নিষোধজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে তাজুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে লতব্দী গ্রামের মৃত শেখ আনোয়ার হোসেন লতব্দী মৌজার আর,এস-৫০৩ খতিয়ানের আর.এস- ৬৫০ দাগের ৯ শতাংশ জমির মালিক হয়ে গাছ রোপন করেছেন।
ওয়ারিশ সুত্রে মালিক হয়ছেন শেখ মনির হোসেন মিলনগংরা। দীর্ঘদিন ভোগদখল করে আসছেন তারা। এ সম্পত্তি জোড়পূর্বক ভোগদখলের পায়তারা করছেন একই গ্রামের তাইজুল ইসলামগংরা। পরে শেখ মনির হোসেন মিলন উচ্চ আদালতে সিভিল রিভিশন যাহার নং-২৩৫৯/২০২৫ দায়ের করেন উচ্চ আদালত বর্ণিত সম্পত্তিতে উভয় পক্ষকে ১ বছরের জন্য নিশেধজ্ঞা প্রদান করেন।
তাইজুল ইসলামগংরা বর্ণিত সম্পত্তিতে জোড়পূর্বক ঘর নির্মানের পায়তারা করছেন। এবিষয়ে শেখ মনির হোসেন মিলন বলেন আমার বাবা-র ক্রয়কৃত সম্পত্তি ওয়ারিশ সূত্রে আমারা মালিক হয়েছি সে সম্পত্তির জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা করছেন তাইজুল ইসলামগংরা। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছেন তারা।
তাজুল ইসলাম গংরা হাইকোর্টের এক উকিলের পেটে একটি অর্ডার এনে সে বলতে থাকে আমাকে আবার হাইকোর্ট অনুমতি দিয়েছে এখানে প্রবেশ করার জন্য একটি কপি থানার দারোগা আলামিন কে দেয় এবং জোরপূর্ব ভূমিতে প্রবেশ করে এবং ঘর উত্তোলন করেন।এখন প্রশ্ন হল উচ্চ আদালতে বিচারপতির আদেশের উপরে কিভাবে একজন উকিল অনুমতি প্রদান করেন? যা সম্পূর্ণ বেআইনি। উকিলের নির্দেশনার তারিখ ৩০/০৭/২০২৫ এবং ভূমিতে প্রবেশ করে ৩১/০৭/২০২৫ তারিখে ঘটনাটি দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই আলামিন কে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে আসেননিত।
এবিষয়ে তাইজুল ইসলামের মোঠো ফোনে বারংবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি। সিরাজদিখান থানার এসআই আল আমিন বলেন আমি উভয় পক্ষকে ঐ জায়গায় যেতে নিষেধ করেছি।
এনএএন টিভি / রুবেল ইসলাম তাহমিদ

One Reply to “সিরাজদিখানে আদালতের নিষোধজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মানের অভিযোগ”
Comments are closed.