চুয়াডাঙ্গায় দরিদ্র, ও পথচারীদের; বিনামূল্যে রুহ আফজার পান

চুয়াডাঙ্গায় তীব্র থেকে অতি তীব্র দাবদাহ চলছে। তীব্র থেকে অতি তীব্র দাবদাহে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে। তীব্র থেকে অতি তীব্র দাবদাহর খরতাপে দেহকে বাঁচাতে মানুষের কাছে পানির চাহিদা বেড়ে গেছে। তাই তীব্র তাপদাহে পথচারীদের তৃষ্ণা মেটাতে চুয়াডাঙ্গায় গত ৭ দিন থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরে সড়কে চলাচলকারি দরিদ্র, রিক্সা-ভ্যান, অটো চালক ও পথচারীদের বিনামূল্যে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা শাখা তাদের নিজস্ব ব্রান্ড রুহ আফজার ঠান্ডা শরবত পান করিয়েছেন।

এভাবেই বিনামূল্যে শরবত র”হ আফজা পান করে হামদর্দের জন্য দোয়া করছেন চুয়াডাঙ্গা সাধারণ পথচারীরা। তীব্র তাপদাহে ভয়াবহ অবস্থা যখন দেশজুড়ে তখন চুয়াডাঙ্গার পিপাসার্ত পথচারীদের বিনামূল্যে শরবত র”হ আফজা পান করাচ্ছে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ। তীব্র গরমে রাজপথে যেখানে পানি পাওয়াই স্বপ্নের মতো ব্যাপার, সেখানে ঠান্ড সুস্বাদু শরবত র”হ আফজা পান করতে পেরে দার”ণ উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষ।

হামদর্দের এরিয়া ম্যানেজার (চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর) মো. মনির”জ্জামান বলেন, চলতি মৌসুমে সারা দেশের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের কাপমাত্রা বেশী। ৪২ ডিগ্রীর উপরে। ইতি মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় দু’দিনে গরম ও ডায়রিয়ায় ৩ মারাগেছে। যা দেশের সকল মিডিয়ায় সংবাদ এসেছে।  হিট স্ট্রোকের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া দেশজুড়ে বিনামূল্যে শরবত রুহ আফজা বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন আমাদের। তারই ধারাবাহিকতায় গত এক সপ্তাহ ধরে আমরা  চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের বেশ কটি ¯পটে মানুষকে রুহ আফজা পান করাতে পেরে পরিতৃপ্ত।

তিনি আরো জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, নিয়মিত শরবত রুহ আফজা পান করলে শরীরের পানি ও ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি দ্রুত পূরণ হয়। তাছাড়া শরবত রুহ আফজা পান করার মাধ্যমে হিট স্ট্রোক থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান,  বৃহ¯পতিবার   (২৫ এপ্রিল) সকাল ৯ চায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৩ দশিমক ৩ ডিগ্রী সেলিসয়াস। এসময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৪৪ শতাংশ। দুপুর ১২ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ দশিমক ০ (শূণ্য) ডিগ্রী সেলিসয়াস। এসময় বাতাসে আদ্রতার পরিমান ছিলো ১৬ শতাংশ। সূর্যের এ চোখ রাঙ্গানি আরো বেডে যায় বেলা ৩ টায়। এসময় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ১৪ শতাংশ। এদিন সন্ধ ৬ চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ২৯ শতাংশ।

এনএএন টিভি / শামসুজ্জোহা পলাশ