রাজধানীর শাহবাগ এখন উত্তাল। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে হাজারো মানুষ সকাল থেকেই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। শাহবাগ মোড়ের চারদিকের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা বাহনগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
অবস্থানকারীরা জানিয়েছেন, সরকারি ঘোষণা আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। দাবি একটাই—ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।
অংশগ্রহণকারীরা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে খুন, গুম, এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনে সংশোধন এনে অবিলম্বে এই দলের বিচার চেয়েছেন।
গণজমায়েতের ডাক
শুক্রবার (৯ মে) রাত ১১টার দিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ অবস্থান কর্মসূচি থেকে এক ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, “আমাদের তিনটি দাবির বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দিতে হবে।”
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা।
সেখানে বিক্ষোভ চলাকালে শুক্রবার সকালে শাহবাগে গণসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনের কর্মসূচি স্থগিত করে শাহবাগ ব্লকেড ঘোষণা করেন হাসনাত।
গণঅবস্থান: হাজারো মানুষ রাস্তায়
ব্লকেড ঘোষণার পরপরই মিছিল নিয়ে একযোগে শাহবাগে জড়ো হন ছাত্র-জনতা।
বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে হাজারো মানুষ শাহবাগের মূল সড়কে বসে পড়েন। শুরু হয় গণঅবস্থান।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বিভিন্ন স্লোগান, গান ও প্রতিবাদী বক্তব্য।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি
আন্দোলনকারীরা বলছেন—
“আমরা ফিরে যাব না। যতক্ষণ না আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়, ততক্ষণ রাজপথ ছাড়ব না।”
