ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার মেড্ডা তিতাসপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৭ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করেছে রিফাত (২৭) নামে এক যুবক। পুলিশ অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতার করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবা রিক্সাচালক ও মা গৃহপরিচারিকা। তারা তিতাস পাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। রিফাত তাদের প্রতিবেশী। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে গণশিক্ষা কার্যক্রমে পড়াশুনা করে বাসায় ফিরে ওই শিশু। তখন তার বাবা-মা বাসায় না থাকার সুযোগে সন্ধ্যায় প্রতিবেশি রিফাত ওই শিশুটিতে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়।
পরে নিজ বাড়িতে নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে। মা বাসায় এলে শিশুটি পেট ব্যথার কথা জানায়। কিন্তু কেন ব্যথা এ বিষয়ে সে কিছু বলছিলো না। এ অবস্থায় মা তাকে মারধরও করে। ব্যথা বন্ধ না হলে শিশুটিকে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে শিশুটি মাকে ঘটনা খুলে বলে। শুক্রবার সকালে শিশুটির গোপনাঙ্গে রক্তক্ষরণ হয়। পরে দুপুরে শিশুটিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় ও শুক্রবার বিকেলে পুলিশ মেড্ডা এলাকা থেকে রিফাতকে গ্রেফতার করে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার এসআই মো. আইয়ুব আলী শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বলেন, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতার করেছি। শিশুটিকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

Comments are closed.